ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও ১৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ৯টা থেকে আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত এরা নতুন করে ভর্তি। এ নিয়ে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৮৭ শিশু ছিল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল ৯টা পর্যন্ত ৬৮ শিশু ভর্তি ছিল। আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত সংখ্যা ৭৮-এ পৌঁছালেও দুপুর ১২টায় তা ৮৭-এ উন্নীত হয়। তবে গত দুই দিনে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। ১৭ মার্চ থেকে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত মোট ১৩১ রোগী ভর্তি হয়েছে, যার মধ্যে পাঁচ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডের চিকিৎসকেরা জানান, ভর্তি শিশুদের মধ্যে ১২২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে মহাখালীতে অবস্থিত সরকারি জনস্বাস্থ্য শিক্ষা ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৮৫ জনের নমুনায় ৪৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।

হামে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল দলের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মাজহারুল আমিন বলেন, “ফেব্রুয়ারি থেকে আমরা এক থেকে দুজন করে রোগী পেলেও মার্চের মাঝামাঝিতে হামের লক্ষণ আছে, এমন রোগী বাড়তে থাকে। বর্তমানে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী হামের র‍্যাশ, জ্বর, কাশি, চোখ দিয়ে পানি পড়া ও মুখে ঘা—এই সমস্যাগুলো নিয়ে ভর্তি হচ্ছে।”

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, হামের রোগীদের চিকিৎসায় গতকাল হাসপাতালের আটতলার কেবিন এলাকায় ৬৪ শয্যার ‍পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। সেখানে তিনটি মেডিকেল দল গঠন করে চিকিৎসা চলছে।