ঈদের সিনেমা মুক্তির আট দিন অতিবাহিত হয়েছে। প্রতিদিনই সিনেমাগুলোর টিকিট বিক্রি নিয়ে সিনেমা–সংশ্লিষ্ট গ্রুপগুলো নানা হিসাব প্রকাশ করছে। একই সিনেমা নিয়ে কোথাও লেখা হচ্ছে ৪ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে, আবার কোথাও ২ কোটি। এসব নিয়ে ঢালিউডে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু গ্রুপ স্টার সিনেপ্লেক্সের আয়ের সূত্র উল্লেখ করছে। তবে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া ও মার্কেটিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা সিনেমার আয় কত, এটা নিয়ে কোনো বক্তব্য দিইনি। যাঁরা আমাদের কথা বলছেন, তাঁরা মূলত আমাদের অনলাইনের টিকিট বিক্রি ও শোসংখ্যা থেকে হিসাব নিয়ে একটি তথ্য দিচ্ছেন। সেখানে কিছু কিছু তথ্য বিশ্বাসযোগ্য। এখন যদি ১০০টি শো থাকে, সেখানে কতগুলো হাউসফুল, কতটা সিট খালি এখান থেকে তাঁরা তথ্য নিয়ে সেটা প্রকাশ করছেন। অনলাইনে এ সময়ে কোনো তথ্য পাওয়াই কঠিন কিছু নয়।’
ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, দু–একটি সিনেমার আয়ের সঠিক চিত্র পাওয়া গেলেও বেশির ভাগই অনুমানভিত্তিক। কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন। ‘দম’ সিনেমার প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, ‘আমাদের সিনেমা ভালো করছে। তবে বিভিন্ন জায়গায় আয় নিয়ে যেসব তথ্য আসছে, সেগুলো বেশির ভাগই সঠিক নয়। কেউ কেউ মনগড়া তথ্য দিচ্ছেন। আমাদের এখানে যেহেতু বক্স অফিস নাই, যে কারণে আমরা তথ্য এখন দিতে চাইছি না।’
‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার পরিচালক তানিম নূর জানালেন, তাঁদের সিনেমার আয় নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেখেছেন। কেউ বিশ্বাসযোগ্য তথ্য দিলেও অনেকে ভুল তথ্য প্রচার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময়ই সিনেমার আয় নিয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে চাই। ঈদের পরে চার দিনের টিকিট বিক্রির তথ্য দিয়েছিলাম। সেটা ১ কোটির বেশি টাকা। আজ (গতকাল) আমরা আট দিনের আয়ের তথ্য দিয়েছি। এ সময়ে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা আয় হয়েছে। আমাদের পেজ থেকে অনেকেই তথ্য নিয়েছেন, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু অনেকেই বলছেন, আয়ই হয়েছে ১ থেকে ২ কোটি, সেটা সঠিক নয়। এটি মূলত গ্রস সেল।’ ঈদের পাঁচ সিনেমার মধ্যে বাকি তিনটি ‘প্রিন্স’, ‘রাক্ষস’, ‘প্রেশার কুকার’–এর কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি।






