কুমিল্লায় রেলক্রসিংয়ে বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ১২ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁদের মধ্যে এক পরিবারের মা ও তাঁর দুই মেয়ে আছেন। আরেক পরিবারের স্বামী-স্ত্রী আছেন।

আজ রোববার দুপুরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় পাওয়া গেছে। সেখানেই মরদেহগুলো রাখা হয়েছে বলে জানান লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম উদ্দিন। তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

.‘বিকট শব্দে ঘুম ভাঙতেই দেখি, ট্রেন বাসটিকে মুখে করে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে’.

এক পরিবারের তিনজন হলেন ঝিনাইদাহের মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামে পিন্টু ইসলামের স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬) এবং তাঁর দুই মেয়ে খাদিজা আক্তার (৬) ও মরিয়ম আক্তার (৩)। এ ছাড়া এক পরিবারের দুজন হলেন যশোরের চৌগাছা উপজেলার মোক্তারপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৭০) ও তাঁর স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৫৫)।

নিহত বাকি সাতজন হলেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার চাপাতলি এলাকার তাজুল ইসলাম (৬৭), ঝিনাইদহের জুহাদ বিশ্বাস (২৪), নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির বাবুল চৌধুরী (৫৫), মাগুরার মহম্মদপুর এলাকার ফচিয়ার রহমান (২৬), চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের সোহেল রানা (২৫), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ফাজিলপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম ওরফে রায়হান (৪৫) এবং লক্ষ্মীপুর সদরের সিরাজউদ্দৌলার মেয়ে সাঈদা আক্তার (৯)।

.দুই গেটম্যান বরখাস্ত, তিন তদন্ত কমিটি, চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চালু.

ঈদের দিন শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরগামী মামুন স্পেশাল পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অনেকে।

.নিহত ১২ জনের পরিবার এক লাখ টাকা করে পাবে: রেল প্রতিমন্ত্রী