নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিনের সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আজ সোমবার বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এতে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন অনেকে। তবে ইউএনওর দাবি, ভিডিওটি তাঁর সম্মানহানির উদ্দেশ্যে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার খবর জানতে পেরে আজ সকাল ৯টার আগেই জেলা সদরের উদ্দেশে কর্মস্থল ত্যাগ করেন ইউএনও।

ইউএনওর কার্যালয়ের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে মুঠোফোনে আজ দুপুরে মুক্তকণ্ঠকে বলেন, তিনি সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ে আসেন। এসে জানতে পারেন ইউএনও মো. আলাউদ্দিন জেলা সদরে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি কার্যালয়ের কাউকে তেমন কিছু বলে যাননি। এক প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মচারী বলেন, ইউএনরও সঙ্গে এক নারীর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার কথা তিনিও শুনেছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ছড়িয়ে পড়া ভিডিও সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউএনও মো. আলাউদ্দিন মুঠোফোনে মুক্তকণ্ঠকে বলেন, অনেক আগের কর্মস্থলের কিছু ঝামেলার জেরে কেউ শত্রুতাবশত এআই দিয়ে এসব করার চেষ্টা করছে। তিনি এসব প্রতিহত করার চেষ্টা করছেন। বিষয়টি নিয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম মুক্তকণ্ঠকে বলেন, পত্রিকার মাধ্যমে এ রকম একটি বিষয় তিনি শুনেছেন। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইউএনও মো. আলাউদ্দিন আজ সকালে তাঁর দপ্তরে ছুটির আবেদন দিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন।