সংগীতজগতে বিপুল সম্পদের অধিকারী শিল্পীর সংখ্যা কম নয়। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে আবারও শীর্ষে উঠে এসেছেন মার্কিন পপ তারকা টেইলর সুইফট। অর্থবিষয়ক সাময়িকী ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনিই বিশ্বের সবচেয়ে ধনী গায়িকা। ফোর্বসের হিসাব বলছে, টেইলর সুইফটের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি মার্কিন ডলার। এই বিপুল সম্পদের কারণে বিশ্বের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় তিনি প্রায় ২ হাজার ১৭৭ নম্বরে অবস্থান করছেন।
.তবে বিশ্বসেরা ধনকুবেরদের তুলনায় এই অঙ্ক এখনো অনেক কম। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ কয়েক শ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। গত কয়েক বছরে সুইফটের সম্পদ দ্রুত বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালেই তাঁর সম্পদ প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই আর্থিক সাফল্যের পেছনে মূলত তিনটি বড় কারণ রয়েছে। এর একটি সংগীত ক্যাটালগের আয়। টেইলর সুইফটের পুরোনো ও নতুন গান এখনো বিশ্বজুড়ে বিপুল জনপ্রিয়। স্ট্রিমিং, লাইসেন্সিং ও বিক্রির মাধ্যমে তাঁর গান থেকে নিয়মিত আয় হচ্ছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ, প্রথম ছয়টি অ্যালবামের অধিকার ফিরে পাওয়া। নিজের প্রথম ছয়টি অ্যালবামের অধিকার পুনরুদ্ধার করা সুইফটের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত। এর ফলে তাঁর নিজস্ব ডিস্কোগ্রাফি থেকে আয়ের পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে।
এই আর্থিক সাফল্যের পেছনে তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণ বিশ্বব্যাপী সফল কনসার্ট ট্যুর। তাঁর সাম্প্রতিক কনসার্ট ট্যুর ‘দ্য ইরাস ট্যুর’ বিপুল সাফল্য পেয়েছে। বিশ্বের বহু শহরে টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায় আগেভাগেই। এই ট্যুরই তাঁর আয়ের বড় একটি উৎস হয়ে উঠেছে।
.গানে গানেই টেইলর সুইফট এখন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী.সংগীতজগতে অনেক তারকারই বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে, কিন্তু টেইলর সুইফটের ক্ষেত্রে বিশেষ বিষয় হলো—তিনি কেবল গায়কি নয়, ব্যবসায়িক কৌশলেও নিজেকে আলাদা করে তুলেছেন। এ কারণেই ফোর্বস সালে তাঁকে ‘গুরুত্বপূর্ণ আমেরিকান উদ্যোক্তার’ তালিকাতেও অন্তর্ভুক্ত করেছে। সাময়িকীটি মনে করে, তিনি এমন একজন শিল্পী, ‘যাঁকে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই।’
ফোর্বস অবলম্বনে






