১২ মার্চ মধ্যরাতে ‘শারীরিক অসুস্থতায়’ হাসপাতালে ভর্তি হন সংগীতশিল্পী তানজীব সারোয়ার। উচ্চ রক্তচাপে অসুস্থ হয়ে গেলে ইমার্জেন্সি থেকে এ গায়ককে নেওয়া হয় আইসিইউতে। সেখানে দুদিন চিকিৎসার পর আজ বাসায় ফিরেছেন তিনি।

.

বাসায় ফেরার খবর এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়ে তানজীব লিখেছেন, ‘সবার দোয়া আর ভালোবাসা পেয়ে কিছুদিন অসুস্থ থাকার পর আবার ঘরে ফিরে এলাম। আপনাদের দোয়া আর ভালোবাসাই আমার জন্য ভালো থাকার কারণ। সবাই দোয়া করবেন। অগ্রিম ঈদ মোবারক ও ভালোবাসা।’
গতকাল শুক্রবার মুক্তকণ্ঠকে এ গায়কের স্ত্রী সাবা সানজিদা রহমান জানান, তানজীবের আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা ছিল। গত ১২ তারিখ মধ্যরাতে তা বেড়ে গেলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। ইমার্জেন্সি থেকে এরপর তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সাবা বলেন, ‘ওকে ইমার্জেন্সিতে নিলে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এখনো তানজীব আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। সবাই ওর জন্য দোয়া করবেন।’

.ফেসবুকে গায়ক তানজীবের ‘আত্মহত্যার চেষ্টা’র গুজব, যা বললেন স্ত্রী.

‘ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা, আইসিইউতে সংগীতশিল্পী তানজীব সারোয়ার’—বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এমনই খবর ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। কয়েকটি পেজ থেকে এমনই দাবি করা হয়। গায়কের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া খবরের বিষয়েও কথা বলেন গায়কের স্ত্রী। জানান, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবর প্রচার হতে থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেবেন তাঁরা। তিনি বলেন, ‘এমন সংবাদ কেন ছড়াচ্ছে, তা জানি না। আমাদের কাছ থেকে কোনো কনফারমেশন বা তথ্য না নিয়ে এসব খবর ছড়ানো হচ্ছে। এসব চলতে থাকলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।’

.

‘দিল আমার’, ‘মেঘ মিলন’ ও ‘গা ছুঁয়ে বলো’—এই গানগুলো গেয়ে আলোচনায় আসেন গায়ক, সুরকার ও সংগীত পরিচালক তানজীব সারোয়ার। গত বছরের ১১ অক্টোবর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরেছেন তিনি। কনে সাবা সানজিদা রহমান।
তানজীব সারোয়ার ২০১১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগীতাঙ্গনে প্রবেশ করেন। তানজীবের প্রথম একক অ্যালবাম ‘অন্দরমহল’ প্রকাশ পায় ২০১১ সালে। ২০১৪ সালে প্রকাশ পায় তাঁর দ্বিতীয় একক অ্যালবাম ‘মেঘবরণ’। ২০১৬ সালে সিডি চয়েজের ব্যানারে প্রকাশ পায় তাঁর তৃতীয় একক অ্যালবাম ‘হৃদমোহিনী’।
সিনেমার গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তানজীব সারোয়ার। ২০২৩ সালে রায়হান রাফী পরিচালিত ‘সুড়ঙ্গ’ চলচ্চিত্রের ‘গা ছুঁয়ে বলো’ দিয়ে সিনেমার গানে অভিষেক ঘটে তাঁর।