প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: প্রতীকী সাফল্য, নাকি কৌশলগত নতুন অধ্যায়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়া ও চীন সফর নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।
মতামত ও বিশ্লেষণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়া ও চীন সফর নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ।
চার বছর ধরে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মন্থরগতি, বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা, রাজস্ব আহরণে বড় ঘাটতি, খেলাপি ঋণের বৃদ্ধি, অনেক ব্যাংকে তারল্যসংকট এবং জ্বালানি সরবরাহে অব্যাহত সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি।
সামগ্রিকভাবে, ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশই এক অশান্ত বৈশ্বিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব দুই দেশের ওপরই পড়েছে।
নতুন সরকারের প্রথম বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরকে একই সঙ্গে সফল এবং তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক বা সেতুর কাজ পরিকল্পনামাফিক সময়মতো শেষ করা উন্নয়ন প্রকল্পের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফর করে এলেন। তিনি মালয়েশিয়া গেলেও মানুষের আগ্রহ ছিল মূলত তাঁর চীন সফরকে ঘিরে। কয়েক দিন ধরে আমাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম এবং জনপরিসরের এক বড় আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল এই সফর থেকে বাংলাদেশ কতটা প্রাপ্তি নিয়ে ফিরে আসতে পারে। যে কারণে এই সফর ঘিরে মিডিয়া হাইপও অনেক বেশি ছিল।
লাতিন আমেরিকাজুড়ে ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদের পক্ষে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক বিপ্লব চলছে। আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, চিলি, পেরু এবং এখন কলম্বিয়া—সবখানেই বামপন্থীরা পরাজিত হয়েছে। এর মাধ্যমে এই মহাদেশে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা বামপন্থী জোয়ারের অবসান ঘটল।
প্রতিবছর বাজেট আসে এবং মোটামুটি সবার আশায় গুড়ে বালি পড়ে। বিগত ফ্যাসিস্ট রেজিম চলে যাওয়ার পর সবাই আশা করেছিল মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য একটা যুগোপযোগী বাজেট হবে। কিন্তু ২০২৬-২৭ বাজেটেও সেই গণ্ডি থেকে বের হতে পারল না সরকার। ফলাফল প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আমাদের বেতন কমছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যয়ের পরিমাণ ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
পূর্বাভাস তৈরি করাই শেষ কথা নয়। আসল কাজ হলো, সেই বার্তা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং তাকে নিরাপদ আচরণে উৎসাহিত করা।
আর্থিক স্বাধীনতা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিত করে। এই চিন্তায় ভ্রান্তি থাকতে পারে। কিন্তু বিচার বিভাগের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দকে রাষ্ট্র পরিচালনার কৌশলগত বিনিয়োগ(স্ট্র্যাটেজিক ইনভেস্টমেন্ট) বিবেচনা করা হয়, এটি অভ্রান্ত সত্য।
এই যুদ্ধ উপসাগরীয় দেশগুলোকে চিরতরে বদলে দিয়েছে। তারা এখন সামরিক শক্তি বাড়াতে আরও বেশি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।