আর্তুস: লোককথা থেকে জার্মান উপন্যাস
হার্টমানের রচনার শুরুর অংশটি হারিয়ে গেছে, তাই আমাদের এই ‘আর্তুসবিষয়ক প্রস্তাবনা’ বা ওপেনিংয়ের জন্য ‘এরেক’ উপন্যাসের মূল আদর্শ, বিখ্যাত ফরাসি লেখক ক্রিতিয়েঁ দে তোয়ার ‘এরেক এ এনিদে’র দিকে তাকাতে হয়।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
হার্টমানের রচনার শুরুর অংশটি হারিয়ে গেছে, তাই আমাদের এই ‘আর্তুসবিষয়ক প্রস্তাবনা’ বা ওপেনিংয়ের জন্য ‘এরেক’ উপন্যাসের মূল আদর্শ, বিখ্যাত ফরাসি লেখক ক্রিতিয়েঁ দে তোয়ার ‘এরেক এ এনিদে’র দিকে তাকাতে হয়।
ন্যাশনাল বুক ফাউন্ডেশন ২০২৬ সালের ন্যাশনাল বুক অ্যাওয়ার্ডের দীর্ঘ তালিকা প্রকাশ করেছে। পাঁচটি বিভাগে মোট ৫০টি বই মনোনীত হয়েছে, যার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ৬ অক্টোবর।
দেশে কত মহাজ্ঞানী কত কী যে জ্ঞান দেয়/ শিশু ঠিকই বোঝে এরা এত কিছু ক্যান দেয়/ নিশ্চয়ই আড়ালে যে আছে কোনো মতলব/ ঠিকই এরা তলেতলে কমবেশি বদ লোক।
বিউটি পাল সাইবার হয়রানির শিকার হওয়ার পরপরই তাঁর সহকর্মী ও দেশের বিভিন্ন এলাকার প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকেরা তাঁর সঙ্গে সংহতি জানাতে শুরু করেন।
লোকসংস্কৃতি সাহিত্যবিশারদের আগ্রহের আরেকটি উর্বর এলাকা। ‘বঙ্গের গ্রাম্য সাহিত্য’, ‘কয়েকটি প্রাচীন হেঁয়ালী’ ‘চট্টগ্রামী ছেলে-ভুলনা ছড়া’, ‘বাঙ্গালার মেয়েলী ব্রত’, ‘লৌকিক ব্রতবিবরণ’, ‘প্রাচীন মুসলমানী গীত-মালা’ এসব রচনার শিরোনাম দেখে বোঝা যায় সাহিত্যবিশারদের মনীষা, উৎসুক্য, অনুসন্ধিৎসা ও আগ্রহের প্রকৃতি কী রকম ছিল।
অর্থনীতিবিদেরা সবচেয়ে নিরীহ ও নিষ্পাপ একটা চেহারা নিয়ে সমাজ বা পৃথিবীতে বিরাজ করেন। যেন তাঁরাই আমাদের রক্ষাকর্তা। মানুষকে উদ্ধারের নব নব পরামর্শ নিয়ে হাজির হওয়া তাঁদের এক প্রধান কর্ম। এইটা তো ভালোই। কিন্তু তাঁদের ভালো ভালো পরামর্শগুলো আদতেই কখনো বাস্তবায়িত হয়? নাকি সেগুলো তাঁদের ইউটোপিয়া আকারেই অমর হয়ে থাকে?
সুফিবাদ সন্দেহ দিয়ে শুরু হয় না, শুরু হয় বিস্ময় দিয়ে। খৈয়াম ধর্মের অনেক বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কিন্তু তাঁর কোনো রুবাইয়ে আল্লাহর অস্তিত্ব অস্বীকার করেননি। বরং তিনি এমন এক আলোর কথা বলেন, যা হৃদয়কে বদলে দেয়।
অশোকের ডালে বসে নিরজনে গান করছে যে হলুদ-পা হরিয়াল/ বিলুপ্ত হলেও বিরল এ প্রজাতি/ থেকে যাবে পরিযায়ী বলাকার পথরেখা—/ অজস্র কীট মরে গিয়ে সহস্র বছরে তৈরি হয়েছে পুঞ্জ পুঞ্জ প্রবাল,/ নির্দিষ্ট তিথিতে ফিরে আসবে সর্পিল জ্যোতিষ্ক/ ধূমকেতুটির পাওয়া যাবে ফের দেখা;
ফ্লোরেন্সের অভিজ্ঞতা মুর্তজা বশীরের সৃজনশীলতায় নতুন আলো জ্বালিয়েছে। তিনি রূপবন্ধ বা ফর্মের বন্ধনেও অবিমিশ্র রঙে মানুষ আঁকলেন; সুখ ও দুঃখ দুই-ই আঁকলেন।
দূর থেকে বাতাসকল দেখে ডন কিহোতে মনে করল সেগুলো বিশাল দৈত্য। সানচো তাকে বোঝানোর চেষ্টা করল যে ওগুলো দৈত্য নয়, বাতাসকল।
সিদ্ধান্ত নিলাম, গাড়ি বিক্রি করে দেব। অটোরিকশা কিনব। অটোরিকশায় তেল লাগে না। খানিক বাদে অনুধাবন করলাম, তেলের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে বিদ্যুতের হাতে ধরা পড়ার আশঙ্কা আছে। বাঘের মুখ থেকে পালিয়ে কুমিরের মুখে পড়ার মতো।
অতীতকে ওভারটেক করে বা ছাড়িয়ে এগোতে হয়—সামনে তাকাতে হয় আমাদের। সেভাবেই ৬ নম্বর রুটের বাসকেও ভুলে যাচ্ছি আমরা। কেবল মাঝেসাঝে স্মৃতিকাতর করবে ‘প্রেমের গপ্পো’।