বাতাস, তুমি কি মর্গেও যাও
কোথাও বসে হয়তো ভাববো-/ এক দ্যুতিময় ঠোঁটে মৃত্যু–আভাস/ নিয়ে উড়ে যাবে ফ্যালকন/ সমান্তরাল পাকা ধানের খেত/ তা গ্রাম না হয় শহর/ আরও একটু/ সামান্য এগিয়ে গেলেই পাখিদের পাঠ্যক্রম।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
কোথাও বসে হয়তো ভাববো-/ এক দ্যুতিময় ঠোঁটে মৃত্যু–আভাস/ নিয়ে উড়ে যাবে ফ্যালকন/ সমান্তরাল পাকা ধানের খেত/ তা গ্রাম না হয় শহর/ আরও একটু/ সামান্য এগিয়ে গেলেই পাখিদের পাঠ্যক্রম।
সে নিজের চেয়েও আকারে বড় একটি বই থেকে ‘সন্ত ইরেনের জীবনকথা’ পড়ছিল...এই অলৌকিক পাঠের প্রভাব যেন পুরো বাড়ির ওপর পড়েছিল।
মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করানো নয়, আমাদের সব কাজই মৃত্যুকে জয় করার জন্য। মানুষের ক্ষুধা পেলে মানুষ খায়—এটা গুরুত্বপূর্ণ। অনাহার দীর্ঘতর হলে সে থাকবে না।
ইথিওপিয়ার দক্ষিণে ওমো ভ্যালি—দুর্গম এক জনপদ, যেখানে আজও নিজস্ব সংস্কৃতি ও জীবনযাপনের ধারায় টিকে আছে হামার জনগোষ্ঠী। সেই জনপদে বিয়ের উৎসব দেখতে গিয়ে লেখক প্রত্যক্ষ করেছেন তাদের নানা আচার, সাজসজ্জা, নাচ ও বুল জাম্পিংয়ের আয়োজন। বিশ্ব পর্যটন দিবসে তুলে ধরা হলো ভিন্ন এক ভূগোলের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতির কাছাকাছি যাওয়ার এই ভ্রমণ-অভিজ্ঞতা।
রিফাত চৌধুরীর গুচ্ছ কবিতা ‘কামান’ ও অন্যান্য কবিতা
শিহাব সরকারের কবিতা ‘সিঁড়ির শেষ ধাপে’
অদ্বৈত মারুতের কবিতা ‘সন্ধ্যাভাষা’
চন্দন চৌধুরীর কবিতা ‘ভাত আবিষ্কার’
উম্মে হাবীবার কবিতা ‘বসন্ত বউ’
নিজাম আশ শামসের কবিতা ‘শূন্যকাব্য’
আযাদ কালামের কবিতা ‘নিদ্রাভঙ্গের আতঙ্ক’
এলিয়টের জীবনের আরেকটি জটিল অধ্যায় এমিলি হেলকে ঘিরে। তাঁদের পরিচয় ১৯১০-এর দশকের গোড়ায়। পরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। ১৯৩০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত এলিয়ট হেলকে এক হাজারের বেশি চিঠি লিখেছিলেন। ২০২০ সালে সেই চিঠিগুলো গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত হলে সাহিত্যজগতে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়।