শহীদ কাদরীকে চেনার সূত্র কী
আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে শহীদ কাদরীর অবস্থান ও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর কবিপ্রতিভার বিকাশ নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে নানা পর্যবেক্ষণ।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
আধুনিক বাংলা কবিতার ইতিহাসে শহীদ কাদরীর অবস্থান ও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর কবিপ্রতিভার বিকাশ নিয়ে আলোচনায় উঠে আসে নানা পর্যবেক্ষণ।
নিজের সুখে থাকার বানোয়াট গল্পই যখন ফেসবুকের আঙিনায় ছড়ায়, তখন প্রতিটি লাইক-কমেন্ট যেন হয়ে ওঠে নিয়ম। অন্যকে হিংসায় জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে মারার মতো সুখ আর কোথায় মেলে—এমন প্রশান্তির খোঁজেই যেন বারবার নতুন স্ট্যাটাস।
অথই মেঘপুঞ্জের ভেতরে গিয়ে ভাবনার প্রতিসরণ ঘটে চিত্রশিল্পী মুকুল চন্দ্র দেবের আঁকা ‘ড্রয়িং দ্য নেট, করতোয়া রিভার’ নামের আরও একটি ল্যান্ডস্কেপের ওপর। এটি দেখে নিশ্চয় আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠেন এখানকার ভূমিপূত্ররা। মুকুল দে অবশ্য ছবিটি এঁকেছেন ১৯৭৪ সালে।
কিছু মেয়ে আছে, যারা নিজেদের ব্যাপারে প্রশংসার আবেগ ধরে রাখতে পারে না। আমার সামনে বসা মেয়েটিও ছিল সে রকম। সে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে হেসে উঠল; চমত্কার হাসি—যেন হাসির ঝংকার।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস একুশ শতকের সেরা ৫০টি থ্রিলার বইয়ের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে, যেখানে গিলিয়ান ফ্লিনের ‘গন গার্ল’ শীর্ষস্থান দখল করেছে।
সিমোন দ্য বোভোয়ারের মহাগ্রন্থ ‘দ্বিতীয় লিঙ্গ’ পড়তে গিয়ে দেখি জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বিশ্লেষণ ও শিল্পকলার অসামান্য রূপ বইটি, যা বাংলা ভাষায় কখনো হবে না। কয়েক মাসে আমি আনন্দে উল্লাসে পড়ে উঠি বিপুলসংখ্যক বই, সম্ভবত চল্লিশ হাজার পাতা; এবং আমার মনে হয় আমি প্রস্তুত, এখনই একটি বই লিখতে পারি, যে বই বাংলায় লেখা হয়নি।
নাসিফ আমিনের গুচ্ছকবিতা ‘এসো হে অনন্ত, তোমাকে নিরর্থে ধারণ করি’
জেমস বন্ডের মতো এত গভীর জলের মাছ কীভাবে এত সহজ টোপ গিলে ফেলবে? তাই শুরু থেকে জেমস বন্ড এবং দারকো কেরিম বিষয়টা এত হালকাভাবে গ্রহণ করেনি। প্রথম থেকেই লন্ডনের নজর ছিল সাইফার যন্ত্রটির দিকে। তাই সন্দেহের তির থাকলেও যন্ত্রটির লোভ সামলানো বেশ কঠিন ছিল।
জনাবাই এমন এক নারী, যিনি ভক্তি আন্দোলনের গভীরতম স্রোতে দাঁড়িয়ে থাকা এক শক্তিশালী সত্তা। দাসত্বের জীবনে থেকেও কবিতা, ঈশ্বরপ্রেম আর মানবসমতা—এই তিনটিকে তিনি অনুপমভাবে মিলিয়েছেন। জনাবাইয়ের জীবন ও কবিতা নারী, নিম্নবর্ণ ও শোষিত মানুষের আধ্যাত্মিক মুক্তি এবং সামাজিক প্রতিবাদের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে শত শত বছর ধরে জীবন্ত রয়েছে।
আধুনিক অডিয়েন্স এখন কেবল মুভি, সোপ-সিরিয়াল দেখেই ক্ষান্ত নন। নিজেদের ভালো লাগা কিংবা মন্দ লাগার প্রকাশ ঘটাতে মুভি কিংবা সিরিয়ালের চরিত্র, গল্প বা সিকোয়েন্সকে কেন্দ্র করে হরহামেশাই তৈরি করছেন নানা ধরনের রিল, মিমস, কার্টুন, ফটোকার্ড ইত্যাদি।
চায়ের দোকান থেকে করপোরেট অফিস ও মেট্রোরেল—সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে ‘পাতার বাঁশরি’। ইউটিউবে ২৫ জুলাই প্রকাশের পর ১০ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভিউ প্রায় ২৭ মিলিয়ন এবং মন্তব্য প্রায় ১৪ হাজার। গানটির লিরিকস, বাঁশির সুর, দৃশ্যায়ন ও কণ্ঠশৈলীর নানা দিক নিয়ে শ্রোতাদের প্রতিক্রিয়া ও মন্তব্যের ভিত্তিতেই উঠে এসেছে আলোচনা।
মশিউল আলমের ‘বিলয়’ গল্পটি ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর মুক্তকণ্ঠ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছিল। এত দিন শুধু কাগুজে সংস্করণে থাকা গল্পটি আজ অন্য আলোর অনলাইন পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলো।