হৃৎপুরের রূপকথা থেকে মিরপুরের রাজত্ব
গত মঙ্গলবার রাতে মিরপুরে ধরা দিল আমাদের দ্বিতীয় ‘জয়ন্তী’। ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে আবার জয়। তবে এবার কোনো রূপকথা নয়, এবার স্রেফ ‘রাজত্ব’।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
গত মঙ্গলবার রাতে মিরপুরে ধরা দিল আমাদের দ্বিতীয় ‘জয়ন্তী’। ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে আবার জয়। তবে এবার কোনো রূপকথা নয়, এবার স্রেফ ‘রাজত্ব’।
১৯৩০ সালের ঘটনা। এ বছর আলোকচিত্রী এডওয়ার্ড ওয়েস্টন ধারণ করেন ‘পেপার নং ৩০’ নামের একটি আলোকচিত্র, যা মর্ডানিস্ট আলোকচিত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য। পেপার নং ৩০ এমন একটি প্রতীকচিত্র যা বিংশ শতাব্দীর শিল্পদৃষ্টিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছিল।
হাসান আজিজুল হকের ‘দিবাস্বপ্ন’ গল্পটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৬ নভেম্বর মুক্তকণ্ঠের প্রথম বর্ষের তৃতীয় সংখ্যার ‘শুক্রবারের সাময়িকী’তে। তখনো মুক্তকণ্ঠের অনলাইন কার্যক্রম শুরু হয়নি, তাই গল্পটি এত দিন শুধু ছাপা পত্রিকার পাতাজুড়েই ছিল। গল্পটি আজ প্রথমবারের মতো ‘অন্য আলো’র অনলাইন পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হলো।
সুইডেনের অন্যতম নারী লেখক কারিন বোয়ে ছিলেন একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও রাজনৈতিক কর্মী। সুইডেনের ‘পথপ্রদর্শক কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও তিনি আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত ১৯৪০ সালে প্রকাশিত তাঁর ডিস্টোপিয়ান বিজ্ঞানভিত্তিক উপন্যাস কালোকেইন-এর জন্য।
শহরের এক উঁচু স্মার্ট টাওয়ারের ৪৩ তলায় আমাদের বসবাস। এখানকার প্রায় সব নির্জীব বস্তুই তার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে আমাদের আরাম–আয়েশের জন্যে। আমার ঘুম ভেঙে যাওয়ায় ঘরের দেয়ালের স্বচ্ছতা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে। ভোরের সূর্যের মোলায়েম আলো অল্প অল্প করে ঘরে ঢুকতে শুরু করেছে।
গরমের ছুটি মানেই আরাম করে বই পড়ার সময়। এমন কিছু গল্প, যেগুলো বই শেষ হওয়ার পরও মাথায় রেশ থেকে যাবে। সেই ভাবনা থেকে এ গ্রীষ্মের কিছু সেরা নতুন বই বেছে নিয়েছেন সমালোচকেরা। তালিকায় আছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, পারিবারিক গল্প, জলবায়ু সংকট নিয়ে উপন্যাস ও থ্রিলার।
<p>গোধূলির ডাকবাক্স খুলে<br>দূর থেকে উড়ে এল যেন সেই চিঠি<br>কুহক ছড়ানো খামে—<br><br>জমে থাকা ভাঁজপত্র থেকে বের হলো<br>জেগে ওঠা পুরোনো বিষাদ;<br>চিঠিটিতে তুমি লিখেছিলে<br>প্রেম কিছু নয় কেবল একটা...
রাতজাগা ক্ষুধার শহরপাখি, খুঁটে খাচ্ছ ভোর।জানি, আকাশইনিরাশ্রয় সব নীলেরঅগত্যা আশ্রয়।নাই নাই করেও আছিতোমার বিস্মৃতির উপযোগীআস্ত একটা আমি।সূর্যের তীব্র তনুমন ভেঙেপৃথিবীর অমাবতী ক্যানভাসেতেল-জল আর...
বাংলাদেশের আধুনিক শিল্পের যে ধারা, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন থেকে কামরুল হাসান পর্যন্ত, সেটা মূলত ‘মানুষীয়’ ধারা। দুর্ভিক্ষের মানুষ, মুক্তিযুদ্ধের মানুষ, মাটির মানুষ। এই ধারায় ছবি একটা সাক্ষ্য দেয়; ঘটনার, সময়ের, যন্ত্রণার। কিবরিয়া এই ধারার বাইরে। তবে বিপরীতে নন, অন্য কোথাও। তিনি সাক্ষ্য দেন না, তিনি একটা অবস্থা তৈরি করেন। পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ।
<p>আই স দ্য বেস্ট মাইন্ডস অব মাই জেনারেশন<br>ডেস্ট্রয়েড বাই ম্যাডনেস, স্টার্ভিং হিস্টেরিক্যাল নেকেড,<br> —‘হাউল’, অ্যালেন...
পারভেজ হোসেনের সুবর্ণপুরাণ একটি ইতিহাস–আশ্রিত উপন্যাস। এই উপন্যাসের সময় ১৫৯৯ থেকে ১৬১০। আসলে এই সময়ের পুরোটাও নয়। উপন্যাসের উল্লেখ-ইশারা দেখে মনে হয়, ১৬১০ সালের আগের বছর কয়েক এই উপন্যাসের সময়। এই অল্প সময় পরিসরে পারভেজ হোসেন একটা উপন্যাস জমিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তিনি ‘মহিমামণ্ডিত ইতিহাস’ ও ‘ঐতিহাসিক চরিত্রের’ সঙ্গে নিজের উপন্যাসকে যুক্ত করে ফাঁপা গৌরবের অংশীদার হতে চাননি।
রাস্তা পার হতে গেলে কারা যেন তাকে থামিয়ে দেয়। তার পরপরই একপশলা ধুলো উড়িয়ে মোটরগাড়ি শাঁ করে বেরিয়ে যায়। ঠান্ডুর সারা মুখে ধুলার প্রলেপ পড়ে। ছোটবেলায় বড় রাস্তা দিয়ে ট্রাক চলে গেলে তার উড়িয়ে দেওয়া সাদা ধুলো মাখার জন্য ঠান্ডু আর তার বন্ধুরা সেই ধুলোর মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ত। কী সুন্দর সে ধুলোর গন্ধ! পাউডার কোন ছার! আজও ধুলোর পাউডার মেখে ঠান্ডু দাঁড়িয়ে থাকে। কিন্তু এই ধুলোর গন্ধে সে ছেলেবেলায় ফিরে যায় না, তার মাথা ঘুরে ওঠে, হাত থেকে জুতা জোড়া ফসকে যায়।