ইতিহাসের মহান বিপ্লবী, না বিতর্কিত মতাদর্শী
বিশ শতকের ইতিহাসে খুব কম মানুষই আর্নেস্তো ‘চে’ গুয়েভারার মতো এতটা ভক্তি জাগাতে এবং একই সঙ্গে এতটা বিতর্ক উসকে দিতে পেরেছেন।
এই বিভাগের সকল সংবাদ
বিশ শতকের ইতিহাসে খুব কম মানুষই আর্নেস্তো ‘চে’ গুয়েভারার মতো এতটা ভক্তি জাগাতে এবং একই সঙ্গে এতটা বিতর্ক উসকে দিতে পেরেছেন।
<p>যুক্তরাষ্ট্রে অডিওবুকের জনপ্রিয়তা ক্রমেই বাড়ছে। ২০২৫ সালে দেশটির অডিওবুকশিল্পের বিক্রি ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে অডিওবুক প্রকাশের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে...
যারা গেল, ধরে নিই তারা আসেইনি কখনোমেঘের কাপ্তান খুলে বৃষ্টি এল, টিলার উপরে।কেবল বৃষ্টি-ই।নৌকার নাভিতে বাঁধা সান্ধ্যদীপ কেঁপে যায়দুঃখের সার পেয়ে ভাঙে যদি অক্ষরের ধ্যান,তাকে দেব বেদনার সমগ্র...
বয়স বাড়লে শরীর ছাড়লেঘর থাকে পরিপাটি, ডাক দেয় মাটি।আমাদের জন্মের আগেওমহুয়ার ছায়া, টগর, মগরা, মাছরাঙা ছিল।প্রকৃতির নিরুত্তর মাঠেঅনাদিকালের হাওয়ায়মৌন পৃথিবীর পাড়ে ওরাই থাকবে।সুরমার লঞ্চঘাটে মনপ্রাণ,...
কবেকার শূন্যোদ্যানেআজ রাতে চাঁদ গেছে থেমেশ্বেতকায় পারাবত-মেঘনেবুচাদনেজারের প্রেমেআমাদেরও প্রেম ছিল নাকি?নিভৃতে কোথাও কোনো ঘর?ঘাসে ঘাসে ছেয়ে গেছে সেইফেলে আসা লোহার বাসরপরাগদণ্ডে ছিল সাপকুণ্ডলে...
কথা রয়ে গেছে বলে এই গোধূলিতেসুদূর তোমার প্রতি ঝুঁকে ঝুঁকে হয়ে যাই সারাআর সবই নিজ গানে মগ্ন, অবিরামচোখের সামনে আজ কত জনপথ ডুবে যায়ছিল সরব উত্থান, ছিল সহৃদয় গান,মনে মনে মসনবি, রুবাই, সনেট,মর্সিয়া,...
উকিল মুন্সীর লেখা ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি’, ‘অপরাধী হইলেও আমি তর’, ‘আমার গায়ে যত দুঃখ সয়’, ‘এসো হে কাঙালের বন্ধু’, ‘ভিখারি দুয়ারে’, ‘কুলমান যৌবন দিলাম বিসর্জন’-এর মতো বিখ্যাত গানগুলো শুধু ভাটি বাংলার সম্পদই নয়, এগুলো এখন সমগ্র বাংলার বিরহভাবের সম্পদ। উকিল মুন্সী ইমামতির পাশাপাশি গান করতেন, কখনো বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে, কখনো বাদ্যযন্ত্র ছাড়া, তিনি মাঝেমধ্যে পালাগানের আসরেও যোগ দিতেন।
গ্রন্থটির ব্যাপ্তি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত। যে সময়টিতে রক্তস্নাত নবীন রাষ্ট্রের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। যদিও একজন প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে এই সময় নিয়ে লেখকের রয়েছে গভীর আক্ষেপ।
বাংলায় মাদ্রাসা কেবল ধর্মশিক্ষার ইতিহাস নয়; এটি একসময়ের জ্ঞানচর্চা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার বিকাশেরও ইতিহাস। মধ্যযুগের বাংলায় মাদ্রাসাগুলো শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
বল মাঠে গড়াবে রাত দশটায়। অথচ এশার আজানের পর থেকে আনোয়ার চেয়ারম্যানের বাড়ির উঠোনে মানুষ গিজগিজ করছে। এই গাঁয়ে সন্ধ্যার আগেই মানুষের নাকের ডাক শোনা যায়। অথচ আজ রীতিমতো চোখে পানি দিয়ে ছেলে–বুড়োরা ঘুম তাড়িয়েছে। উঠোনজুড়ে খড়ের বিছানায় ঝাঁকে ঝাঁকে মশার শুঁড়ে বিদ্ধ হতে হতেও মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো চেয়ে আছে ১৪ ইঞ্চি টেলিভিশন সেটের দিকে।
১২ জুন। পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো যুদ্ধ শুরুর দিন নয়, কোনো সাম্রাজ্যের উত্থান বা পতনের দিনও নয়। তবু দিনটি মানবসভ্যতার স্মৃতিতে বিশেষভাবে খোদাই হয়ে আছে। ১৯২৯ সালের এই দিনে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে জন্ম নিয়েছিল অ্যান ফ্রাঙ্ক, যে পরে হয়ে ওঠে যুদ্ধের বিরুদ্ধে মানবতার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।
গত মঙ্গলবার রাতে মিরপুরে ধরা দিল আমাদের দ্বিতীয় ‘জয়ন্তী’। ২১ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে আবার জয়। তবে এবার কোনো রূপকথা নয়, এবার স্রেফ ‘রাজত্ব’।