কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটে হিন্দুত্ববাদীদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ
এসআরএফটিআইয়ে রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ঘিরে শিক্ষার্থী ও আয়োজকদের সংঘর্ষ।
এসআরএফটিআইয়ে রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ঘিরে শিক্ষার্থী ও আয়োজকদের সংঘর্ষ।
আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে সদ্য ক্ষমতায় আসা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের খোলাখুলি সংঘাত শুরু হয় গত ২০ আগস্টের পরে।
সব ধর্মের উগ্রপন্থীরাই তাঁকে ও জাভেদ আখতারকে সহ্য করতে পারেন না। কখনো তাঁদের সন্ত্রাসবাদী বলা হয়েছে, আবার কখনো তাঁদের কাছে ফতোয়া পাঠানো হয়েছে।
ভারতের আরএসএসের সাবেক সংগঠক যশবন্ত সাহদেব শিন্দে অমিত শাহ ও প্রিয়াঙ্ক খাড়গেকে চিঠি দিয়ে আরএসএস, ভিএইচপি ও বজরং দলকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন।
মোস্তফা, ফাজিল, জালাল—এই নামগুলোতে উত্তর প্রদেশের হিন্দুত্ববাদী বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আপত্তি। তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও নাম পাল্টাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অনেক স্বঘোষিত ‘গোরক্ষক সংগঠন’এবং হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোও বড় ধরনের বিক্ষোভ দেখিয়েছে।
সূর্যাস্তের সময়টাই জেলে সবচেয়ে কঠিন। দিল্লির কুখ্যাত তিহার জেলের হাজার হাজার বন্দীকে যখন তাঁদের সেল থেকে বের করে অন্ধকার নামার আগপর্যন্ত স্যাঁতসেঁতে উঠানে থাকতে বাধ্য করা হয়, তখন থেকেই বন্দী নম্বর ৬২৬৭১৪-এর মনের ভেতর এক তীব্র আতঙ্ক দানা বাঁধতে শুরু করে।
১৯৪০ সালে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ লাহোরে তাঁর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ নিয়ে ভাষণ দেন। শিগগিরই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি পেতে যাওয়া এই নেতা সে সময় দাবি করেছিলেন, ‘হিন্দু ও মুসলমানরা যে কখনো একটি একক জাতীয়তা গড়ে তুলতে পারে—এটি কেবলই একটি স্বপ্ন।’
উত্তর ও মধ্য ভারতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি যদি বহুলাংশে মন্দির-মসজিদ রাজনীতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে, তবে পূর্বাঞ্চলে কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।
ভারতে মসজিদকে মন্দির করার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কট্টর হিন্দুত্ববাদী কর্মীরা ভারতজুড়ে এ ধরনের দাবি করে আসছেন।