কুটিরশিল্পে কর্মসংস্থানের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
বিসিক আয়োজিত শরৎমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কুটিরশিল্পের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বিসিক আয়োজিত শরৎমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কুটিরশিল্পের মাধ্যমে নারীদের স্বাবলম্বী হওয়া এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দেশীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের প্রসারে ৭ অক্টোবর থেকে বিসিক ভবনে শুরু হচ্ছে পাঁচ দিনব্যাপী শরৎ মেলা-২০২৬।
চার দেয়ালের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। জীবনের স্বাভাবিক ছন্দও থেমে গেছে। তবু কারাগারের ভেতরে থেমে নেই হাত। শিল্পের ছোঁয়া লেগেছে বন্দীদের হাতে। কেউ সুঁই-সুতোয় কাপড়ের ওপর ফুটিয়ে তুলছেন নান্দনিক নকশা, কেউ...
বিশ্বনাথ যে ঝুড়িটি বানাচ্ছিলেন, সেটি বিক্রি হবে ১৫০ টাকায়। এতে খরচ পড়ে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সকাল থেকে বেলা একটা পর্যন্ত তিনি দুটি ঝুড়ি বানিয়েছেন।
ভাত রান্নার হাঁড়ির জন্য নড়াইল বিখ্যাত। নড়াইলের দিঘলিয়া অথবা কুরুলিয়ার ভাতের হাঁড়ি যায় মৃৎশিল্পের গুরুবাড়ি বরিশালে। বিক্রমপুরের সিরাজদিখানের শেখরনগরে আছে জাইল্লা বানানোর উৎকৃষ্ট কারিগর।
ইউটিউবে ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে দিনমজুর থেকে সফল উদ্যোক্তায় পরিণত হয়েছেন নীলফামারীর হাজীমুল ইসলাম। বর্তমানে তাঁর বাঁশের তৈরি হস্তশিল্পের কারখানায় ২০ জন কর্মরত এবং মাসে প্রায় তিন লাখ টাকার পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
রাজশাহীর শেখপাড়ার বেতপট্টিতে এখন মাত্র তিনটি দোকান টিকে আছে—এর একটি ফরিদুর রহমানের। ৭০ বছর ধরে তিনি বেতশিল্প ধরে রেখেছেন বলে জানিয়েছেন।
শ্রীলঙ্কার গল ফোর্টে স্যুভেনির দোকানে হাতির মল থেকে তৈরি নোটবুক দেখে বিস্মিত হলেন সাংবাদিক। থুসিতা রানাসিংগের উদ্ভাবিত এই পরিবেশবান্ধব প্রক্রিয়ায় গাছ কাটা এড়ানো যায় এবং বর্জ্য থেকে সম্পদ তৈরি হয়। এখন ৩০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে এই পণ্য।
ঝিনাইদহের শত শত নারী অযত্নের কচুরিপানা দিয়ে দৃষ্টিনন্দন হস্তশিল্প তৈরি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ঘরে বসে তৈরি পরিবেশবান্ধব এসব পণ্য বিশ্বের ৮২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দী গ্রামে দুই শতকের ঐতিহ্য নিয়ে চলছে বাঁশি তৈরির কাজ। পয়লা বৈশাখ সামনে রেখে কারিগররা ব্যস্ত, তাঁদের বাঁশি দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ছে। গ্রামের ৪০টি পরিবার এই কারুশিল্পে যুক্ত।
২০১৭ সালের শেষে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে মাত্র ১০ হাজার টাকার কাঁচামাল কিনে নকশিকাঁথা, শতরঞ্জি ও ফ্লোরম্যাট তৈরি শুরু হয়।