লংমার্চে ৫–৬ হাজারের বদলে ১ হাজার গাড়ি
দলটির নেতারা বলেছেন, লংমার্চে যদি কেউ বাধা দিলে যা পদক্ষেপ নেওয়ার তা জনগণই নেবে।
দলটির নেতারা বলেছেন, লংমার্চে যদি কেউ বাধা দিলে যা পদক্ষেপ নেওয়ার তা জনগণই নেবে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জামায়াত ও এনসিপির লংমার্চকে আওয়ামী লীগ ফেরানোর চক্রান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যে লংমার্চ প্রস্তুতি, যানজট ব্যবস্থাপনা ও সংসদে তির্যক ভাষার অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
গত জুলাইয়ে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) বয়স ১০৫ বছর হলো। সেই তুলনায় তাদের ঐতিহাসিক ‘লংমার্চ’–এর বয়স কম, ৯০ বছর।
এনসিপি মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের জোট অব্যাহত রাখার ঘোষণা, এককভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং আগামী সেপ্টেম্বরে লংমার্চ কর্মসূচির তথ্য।
সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে সরকারি দলের ‘সফলতার’ দাবিকে নাকচ করেছে বিরোধী দল।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ১১ দলীয় লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছেন।
১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চ নিয়ে কোনো আশঙ্কা দেখছেন না মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য সরকার ছয় মাসে ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদে আরও পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছে। নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রয়োজনে সরকারকে নীতিগত সহায়তা করবে বিরোধী দল। পাশাপাশি ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ধারাবাহিক লংমার্চ ও মহাসমাবেশের নতুন সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়।
বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসে আরও তিনটি লংমার্চ এবং ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের পথে লংমার্চ দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হবে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি এবং দ্রব্যমূল্য ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে ৫ ও ৬ আগস্ট দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য।
মানববন্ধনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।
ভারত পানি আগ্রাসনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শায়েস্তা করতে চায়, ফারাক্কা বাঁধ তার উদাহরণ।
ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজ কীভাবে বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে, তা বিশ্ববাসীর নজরে আনতে ১৯৭৬ সালের ১৬ মে এক লংমার্চ শুরু করেছিলেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফারাক্কা বাঁধকে বাংলাদেশের জন্য মরণফাঁদ বলে অভিহিত করেছেন। ‘ফারাক্কা দিবস’ উপলক্ষে তিনি ভারতের পানি প্রত্যাহারের কারণে দেশের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে মরুভূমির উদ্ভব এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তুলে ধরেন। ভাসানীর ঐতিহাসিক সংগ্রামের স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচারের দাবি জানান।