সারা দেশে নিয়োগপত্র পাচ্ছেন প্রাথমিকে চাকরিবঞ্চিতরা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও প্রথম দফায় নিয়োগপত্র পাননি অনেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেরিফিকেশনে আটকে যায় সহস্রাধিক চাকরিপ্রার্থীর...
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হলেও প্রথম দফায় নিয়োগপত্র পাননি অনেকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেরিফিকেশনে আটকে যায় সহস্রাধিক চাকরিপ্রার্থীর...
গর্ভাবস্থায় থেকেও পড়াশোনা চালিয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সুমাইয়া। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সব ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতও...
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মো. জাহিদ হাসান। মঠবাড়িয়া উপজেলায় সুপারিশপ্রাপ্ত ৮৩ প্রার্থীর মধ্যে তার মেধাক্রম ছিল ৫৪তম। বিশেষ...
যশোরে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত ১০৬ প্রার্থীকে ভেরিফিকেশন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাদ দেওয়ায় ক্ষোভ।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও ভেরিফিকেশনের কারণে নিয়োগপত্র পাননি প্রায় এক হাজার প্রার্থী, যাদের দাবি তাদের রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ভেরিফিকেশনে ১২ শতাধিক প্রার্থীর নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে জানিয়েছে ‘চূড়ান্ত সুপাররিপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক-২০২৫’। বিষয়টিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে...
জামায়াতে ইসলামী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের বঞ্চিত করলে দায় সরকারেরই।
এবি পার্টির দাবি, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে বাদ পড়া মেধাবী প্রার্থীদের পুনর্তদন্ত ও পুনর্বহালের ব্যবস্থা করুন সরকার।
এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দ্রুততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, যাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনসম্মত অভিযোগ নেই, তাদের নিয়োগ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে এবং বাদ দেওয়ার মানদণ্ড স্পষ্ট করতে হবে।