জানুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে পদ্মা ব্যারাজের কাজ শুরু হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে জনসভায় বক্তব্য দেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী।
পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রস্তাবিত স্থান রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুরে জনসভায় বক্তব্য দেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী।
পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ১৫-১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হতে পারে। আগামী জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি বা মার্চে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকল্পটির উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশের দীর্ঘমেয়াদি পানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন বাড়ানো, খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পকে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন নীতিনির্ধারক, অর্থনীতিবিদ, প্রকৌশলী ও শিক্ষাবিদেরা।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারাজ বাস্তবায়নের প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। খুব শিগগির টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ শুরু হবে। আর এই অর্থবছরেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণে বিএনপি সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান।
মির্জা ফখরুল ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, ন্যায্য পানির হিস্যা নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি।
সরকার ৩৪,৪৯৭ কোটি টাকায় পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প অনুমোদন করেছে। রাজবাড়ীর পাংশায় ২.১ কিমি বাঁধ নির্মাণের কাজ এ বছর জুলাই থেকে শুরু হয়ে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত চলবে। এটি পানির সমস্যা সমাধান, নদী পুনরুজ্জীবন এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সহায়ক হবে।