বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চল শান্তিপূর্ণ রাখাই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সামষ্টিক স্বার্থ
বে অব বেঙ্গল কনভার্সেশনের আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, বহিঃশক্তির প্রভাবে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, তাই সামষ্টিক স্বার্থে এই অঞ্চলকে নিরাপদ রাখা জরুরি।
বে অব বেঙ্গল কনভার্সেশনের আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, বহিঃশক্তির প্রভাবে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, তাই সামষ্টিক স্বার্থে এই অঞ্চলকে নিরাপদ রাখা জরুরি।
দলের অধিনায়ক ও সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হঠাৎ জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ায় ম্যাচের আগের সময়টা অস্বস্তিতেই কেটেছে পর্তুগালের। মাঠে অবশ্য সেই বিতর্কের প্রভাব পড়তে দেননি...
চুক্তিতে বলা আছে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে দুটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করবে।
যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে স্নায়ুযুদ্ধকালে একটি সাবেক সামরিক ঘাঁটি আবার চালু করার পরিকল্পনা করছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে আগ্রহী, তবে এখন গ্রিনল্যান্ডের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন।
গ্রিনল্যান্ডে বড় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের চুক্তি হয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডে বড় ধরনের সামরিক উপস্থিতির লক্ষ্যে ডেনমার্কের সঙ্গে চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
চলতি অর্থবছরে পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠক করবেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
চলতি অর্থবছরে দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ডেনমার্ক পানি সরবরাহ ও রোহিঙ্গা সহায়তায় অর্থায়ন করবে।
ডেনমার্ক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিইউ) তো এবার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইনফান্তিনোর ওপর আস্থা হারিয়েছে তারা।
ট্রাম্প যেকোনো মূল্যে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান। প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকিও দিয়েছেন।
মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে দুটি হাসপাতাল জাহাজ আছে।
ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকির মুখে সেখানে অতিরিক্ত সেনা পাঠিয়েছে ডেনমার্ক।
গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলো ডেনমার্ককে সমর্থন দিয়েছে।
গ্রিনল্যান্ড দিতে রাজি না হওয়ায় ইউরোপের ৮টি দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
ডেনমার্কের সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তির অধীনে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডে যত খুশি সেনা পাঠাতে পারে।
ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে।
ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার বলেন, ‘ডেনমার্কে আমরা আংশিকভাবে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বভিত্তিক একটি ব্যবস্থা অনুসরণ করি।’
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গ্রিনল্যান্ড দখলের ইচ্ছা পোষণ করেন।
গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দারা ডেনমার্ক থেকে আলাদা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেতে রাজি হওয়ার জন্য প্রত্যেককে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার পর্যন্ত দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘গ্রিনল্যান্ড আমরা না নিলে রাশিয়া ও চীন তা দখল নিতে পারে, এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের ওই ভূখণ্ড প্রয়োজন।’
ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির জবাবে গ্রিনল্যান্ডের রাজনীতিবিদেরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা ‘আমেরিকান হতে চান না’।
গ্রিনল্যান্ডে ৫৭ হাজার মানুষ বসবাস করেন, তাঁরা মার্কিন হতে চান না
ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করে, তবে ডেনিশ সেনারা ‘আগে গুলি চালাবে এবং পরে প্রশ্ন করবে।’