রুদ্ধশ্বাস ১২ মিনিট
উড়োজাহাজটি যখন তীব্রগতিতে মাটির দিকে নেমে যাচ্ছিল, তখন পাইলটের মরিয়া চেষ্টায় ক্রু ও যাত্রীরা ককপিটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়তে সক্ষম হন।
উড়োজাহাজটি যখন তীব্রগতিতে মাটির দিকে নেমে যাচ্ছিল, তখন পাইলটের মরিয়া চেষ্টায় ক্রু ও যাত্রীরা ককপিটের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়তে সক্ষম হন।
ফ্লাইদুবাইয়ে ক্যাপ্টেনের ওপর হামলাকারী সহকারী পাইলটের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সন্দেহজনক পোস্ট।
দুবাই থেকে তেল আবিভ যাওয়া ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ওমানের আকাশসীমায় হঠাৎ ঝাঁকুনির পর যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
অসুস্থ ভাইকে নিয়ে চট্টগ্রাম নগরের এনায়েতবাজারের বাসা থেকে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন মো. সাকিব আমান। গাড়িতে ছিলেন তাঁর মা ও দুই ভাই। পথে হোয়াটসঅ্যাপে বাবা মো. আমান উল্লাহর নম্বর থেকে একটি অডিও বার্তা আসে।
হুতিরা মার্কিন জাহাজে হামলা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
ইরান জানিয়েছে, ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে বৈঠকের নতুন তারিখ ঠিক করা হবে।
আরব দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আগামীকাল ওমানে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন বলে জানিয়েছেন মাসুদ পেজেশকিয়ান।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। চুক্তির কার্গো না আসায় বেশি দামে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হচ্ছে, বাড়ছে পেট্রোবাংলার লোকসান।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, ওমান বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কর্মী নিবে, যার মধ্যে ৫ হাজার কৃষক ও ৫ হাজার মৎস্যজীবী রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র যেখান থেকে নৌ অবরোধ শুরু করেছে, সেখান থেকে এই নতুন নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল শুরু হবে।
ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া ও বাহরাইনসহ প্রধান শ্রমবাজারগুলো বন্ধ থাকায় এবং ইউরোপে কর্মী পাঠানো ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশের শ্রমিক পাঠানোর প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
বিমানে এক যাত্রীর মৃত্যুর পর ওমানের মাসকাট বিমানবন্দরে আটকে আছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটটি।
হরমুজ ব্যবস্থাপনার জন্য ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তি প্রায় সম্পন্ন করার কথা জানিয়েছে ইরান।
কোনো চুক্তি হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
হরমুজ প্রণালি খোলার অনিশ্চয়তা ও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার ঘটনায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতিপূরণসহ অন্যান্য শর্ত পূরণ না হলে হরমুজ প্রণালি খোলা হবে না—ইরানের এমন অবস্থান জানানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান-ওমান চুক্তির সম্ভাবনা ঘিরে আলোচনা এগোচ্ছে। তবে ট্রাম্পের হুমকি, দুই পক্ষের অবস্থানগত পার্থক্য ও ‘টেকসই’ নিয়ন্ত্রণ ভাবনা—সব মিলিয়ে চুক্তির স্থায়িত্ব ও বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও সেবা ফি সংগ্রহের বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে, যা চূড়ান্ত চুক্তির পথে রয়েছে। তবে এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র আপত্তি রয়েছে।
প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী পারস্য উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হলে মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের প্রভাব আরও শক্তিশালী হয়েছে বলেই ধরা হবে।
জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌপথ চালনার বিষয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ও হুমকির কারণে এই জলপথের নিরাপত্তা নিয়ে তেহরান এখনো উদ্বিগ্ন।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রুশ তেলবাহী জাহাজ 'ক্যারোলিন বেজেঙ্গি' থেকে ওমান উপকূলে অপরিশোধিত তেল ছড়িয়ে পড়ছে। স্যাটেলাইট চিত্রে তেলের বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় সামুদ্রিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মালাক্কা প্রণালির আদলে হরমুজ প্রণালির যৌথ ব্যবস্থাপনা এবং স্বেচ্ছায় টোল আদায়ের প্রস্তাব ইরানকে দিয়েছে ওমান, যাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর সমর্থন রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে সিরিয়া, ওমান ও কুয়েতে পাল্টাহামলার দাবি ইরানের।
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে টোল আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে, তবে ইউরোপীয় দেশগুলো নির্দিষ্ট সেবার বিনিময়ে 'ফি' দেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করছে।