কুষ্টিয়া সুগার মিলের জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার উদ্যোগ
কুষ্টিয়া সুগার মিলের ২২০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার সরকারি উদ্যোগে শ্রমিক, আখচাষি ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে।
কুষ্টিয়া সুগার মিলের ২২০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ার সরকারি উদ্যোগে শ্রমিক, আখচাষি ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে।
৩৬ হাজার বর্গমিটার জমির ওপর এই কারখানা স্থাপন করা হবে। কারখানাটি পুরোপুরি চালু হলে এখানে ৫৮০ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডর করার প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং।
মাতারবাড়ী ও চট্টগ্রামে দেশের প্রথম দুটি মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল গঠনের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বন্দরভিত্তিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
একনেক সভায় শিক্ষা খাতের ১টি প্রকল্পসহ মোট ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকার ৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার বড়তাকিয়া থেকে একটি পাকা সড়ক চলে গেছে ফেনী নদীর মোহনার দিকে। সেই সড়ক ধরে কয়েক কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল শুরু।
এক দশক ধরে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের বিষয়টি আলোচনায় ছিল। নানা জটিলতা শেষে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে প্রকল্পটি।
তাঁবু ও ক্যানোপি (অস্থায়ী পোর্টেবল ছাউনি); ওয়াটারপ্রুফ ডাফেল ব্যাগ ও স্লিপিং ব্যাগ; ভাঁজ করা যায় এমন বালিশ, তোশক ও এয়ার পিলো; মশারি, কার্পেট, মাদুর; ভাঁজ করা যায় এমন চেয়ার ও বিভিন্ন ধরনের ঝুড়ি তৈরি হবে।
সৌরবিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে নামমাত্র শুল্ক ও ৫ বছর কর অবকাশের প্রস্তাব ভেবে দেখছে সরকার। ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, জুনের মধ্যে বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা ঘোষণা হবে। ধানমন্ডি-মোহাম্মদপুরের ছাদ থেকে ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।
ছয় দেশের কূটনীতিকরা মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন করে সুযোগ-সুবিধায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তাঁরা নিজ নিজ দেশের বিনিয়োগকারীদের এই অভিজ্ঞতা জানাবেন বলে জানান। এমজিআই’র তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।
আশিক চৌধুরী বলেন, জায়গাটি গত বছরের জুন মাস পর্যন্ত ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে প্রস্তাবিত ছিল, যা পরে বাতিল হয়ে গেছে। সেটিকেই এখন বেজার মাস্টারপ্ল্যানে সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে।