আইএলও শিল্প পুলিশের বৈঠকে শ্রম অধিকার ও শান্তি নিয়ে আলোচনা
আইএলও ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের বৈঠকে শ্রমিক অধিকার, শিল্প শান্তি ও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ও সম্মতি।
আইএলও ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের বৈঠকে শ্রমিক অধিকার, শিল্প শান্তি ও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ও সম্মতি।
ইসলামে শ্রমকে ইবাদত বলা হয়েছে। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘অতঃপর যখন নামাজ পূর্ণ করা হবে, তখন জমিনে ছড়িয়ে পড়ো; আর আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো—আশা করা যায় তোমরা সফল হবে।’ (সুরা-৬২ জুমুআহ্, আয়াত: ১০)
শ্রম অধ্যাদেশ (২০২৫) দ্রুত আইনে রূপ দেওয়ার দাবিতে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন (টাফ) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে। শনিবার সকালে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রমিক নেতারা অংশ নিয়ে সংসদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। অধ্যাদেশটি পাস না হলে বাতিলের আশঙ্কা করেছেন তারা।
ইসলাম শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা এবং অধিকার সম্পর্কে যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে: ‘অতঃপর যখন নামাজ সম্পন্ন করা হবে, তখন তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো, আশা করা যায় তোমরা সফল হবে।’ (সুরা-৬২ জুমুআহ, আয়াত: ১০)
গৃহকর্মীরা শ্রম আইনে আংশিক সুরক্ষা পেলেও মজুরি ও কর্মঘণ্টাসহ মৌলিক অধিকারে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।
তাসলিমা আখতার ও শ্রমিকনেতারা সংসদে শ্রম অধিকার নিশ্চিত করতে শ্রম অধ্যাদেশ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় অফিসে থাকাকে গৌরব মনে করার প্রচলন কীভাবে দক্ষতা, স্বাস্থ্য ও জীবনের ভারসাম্য নষ্ট করছে। আইএলওর সনদ, শ্রম আইন এবং নমনীয় ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরে লেখক পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। এটি শুধু শ্রম অধিকার নয়, দেশের উন্নয়নের বিষয়।
আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত কম দামের প্রতিযোগিতা ছাড়িয়ে তথ্যভিত্তিক, নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল সরবরাহে যেতে বাধ্য। পণ্যের উৎস, শ্রম অধিকার, পরিবেশগত তথ্য ও প্রমাণপত্র এখন ক্রেতাদের প্রধান বিবেচ্য। এটি ঝুঁকি ও সুযোগ দুটোই, সঠিক প্রস্তুতি নিলে দেশ এগিয়ে যেতে পারে।
শারীরিক শ্রম ও কষ্টসাধ্য অনেক ইবাদত থেকে ইসলাম প্রতিবন্ধীদের হয় সম্পূর্ণ অব্যাহতি দিয়েছে অথবা সহজ বিকল্প ব্যবস্থা রেখেছে। জুমা ও জামাতের বাধ্যবাধকতা থেকে প্রতিবন্ধীরা মুক্ত।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংসদে জানিয়েছেন, আগামী আগস্টে ওয়েজ বোর্ডের বৈঠকের মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাদেশের শ্রম খাত দীর্ঘদিন ধরেই ভারসাম্যহীন এক বাস্তবতার মধ্যে রয়েছে। এখানে একদিকে রয়েছে উৎপাদনমুখী অর্থনীতির চাপ, অন্যদিকে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সংগ্রাম।