
২০২৫ সালে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ বাস্তুচ্যুত মানুষ নিজ দেশে ফিরে গেছেন
শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের পরিস্থিতি মোটেও অনুকূল নয়। অনেক মানুষ সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেও ফিরছেন, ওই সব মানুষদের দেশে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে তাই প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের পরিস্থিতি মোটেও অনুকূল নয়। অনেক মানুষ সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতার মধ্যেও ফিরছেন, ওই সব মানুষদের দেশে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে তাই প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে।

আজ ২০ জুন, বিশ্ব শরণার্থী দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি প্রতিবছর আসে, কিন্তু কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার আশ্রয়শিবিরগুলোয় বসবাসকারী ১৪ লাখ রোহিঙ্গার জীবনে এই দিন কোনো নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসে না। বরং খাদ্যসহায়তার টানাপোড়েন ও অনিশ্চিত প্রত্যাবাসনের ‘গোলকধাঁধায়’ স্বজন হারানো আর জন্মভূমি ছাড়ার স্মৃতিগুলো এই দিনে আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

বিআইপিএসএস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল আ ন ম মুনিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কৌশলগত, ভারসাম্যপূর্ণ ও জাতীয় স্বার্থকেন্দ্রিক হতে হবে। রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক কূটনীতিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের উপর তিনি জোর দেন।

গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি, ২০২৬) কানাডার ইমিগ্রেশন, রিফিউজি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ বিভাগ (আরসিসি) এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে।

প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র বাস্তব ও টেকসই সমাধান বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিদ্যমান কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্যোগ কার্যকর না হওয়ায় ‘নতুন কৌশলের’ প্রয়োজন।

কানাডায় আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত আগের বছরের তুলনায় আবেদন কমেছে ৩৩ শতাংশ।