লটারি বনাম পরীক্ষার বিপরীতে কি কোনো বিকল্প নেই
আমরা যখন আসল জায়গায় হাত দিতে অনিচ্ছুক, তখন কখনো ভর্তি পরীক্ষা, কখনো লটারির বাইনারি নিয়ে সময়ক্ষেপণ করবই। শিক্ষাকে আমরা অধিকার দ্বারা নয়, সুযোগ দ্বারা নিরূপণ করেছি।
আমরা যখন আসল জায়গায় হাত দিতে অনিচ্ছুক, তখন কখনো ভর্তি পরীক্ষা, কখনো লটারির বাইনারি নিয়ে সময়ক্ষেপণ করবই। শিক্ষাকে আমরা অধিকার দ্বারা নয়, সুযোগ দ্বারা নিরূপণ করেছি।
স্কুল পর্যায়ের যেকোনো শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীকে এখন পরীক্ষা দিতে হবে। প্রায় দেড় দশক আগের এই নিয়ম ২০২৭ সাল থেকে আবার চালু করতে যাচ্ছে সরকার।
স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগের ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে (সিভিল) বিভিন্ন কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।
সৌভাগ্যবান পুরস্কার বিজয়ীদের নির্ধারণ করতেই গতকাল মুক্তকণ্ঠ কার্যালয়ে লটারির আয়োজন করা হয়।
প্রাথমিক স্কুলে লটারি পদ্ধতিতে ভর্তি চালু হলে শিশুদের মানসিক চাপ কমে এবং সামাজিক সমতা বাড়ে। ভর্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার প্রস্তাবে সমালোচনা উঠেছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে লটারি পদ্ধতির পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের আইডাহোর রবার্ট বেভান ২৯ বছরে ১৮ বার লটারি জিতেছেন। তবে তিনি বলছেন, আসল ভাগ্য তাঁর ৪০ বছরের দাম্পত্য জীবন।
মেরিল্যান্ডের এক বাসিন্দা মিশিগানে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ফেরার পথে লটারি টিকিট কিনে ১০ লাখ ডলার জয় করেছেন। টিকিট স্ক্র্যাচ করে অবাক হয়ে যান তিনি। পুরস্কারের অংশ ভ্রমণে ব্যয়ের পরিকল্পনা করেছেন।
অতীতে শিক্ষার উন্নয়নে বহু লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, এখনো হচ্ছে। কিন্তু নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারি পদ্ধতি পুনর্বিবেচনার পরিকল্পনা করছে।
প্রথম শ্রেণি থেকে সব শ্রেণিগুলোতে ভর্তির জন্য লটারি পদ্ধতি বাদ। এর ফলে প্রত্যাশিত বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য শিশুদের আবারও সেই পুরোনো ভর্তির যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে।
মাহদী আমিন বলেন, বিদ্যমান লটারি পদ্ধতি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অনেকেই এটিকে অস্বচ্ছ বলে মনে করেন।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিগত সরকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম চালু করেছিল।