র্যাব–পুলিশ–সেনাবাহিনীর পরিচয়ে ডাকাতি, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার
র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিচয়ে ডাকাতি করা চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিচয়ে ডাকাতি করা চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
র্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ বলেন, র্যাবের বিলুপ্তি বা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেবেন, তারা কাজ করে প্রতিষ্ঠিত হতে চান। র্যাবকে জনগণের সামনে ভালোভাবে উপস্থাপন করাই তাদের মূল কাজ। সভায় অভ্যন্তরীণ ত্রুটির তদন্ত, নিষেধাজ্ঞা, জঙ্গিবাদ নির্মূলসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারা প্রতিশ্রুতি দেন।
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ও বিলুপ্তির দাবির মুখে র্যাবকে নতুন নামে 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন' বা এসআরবি হিসেবে রাখা হচ্ছে।
জাতিসংঘ, গুম–সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন ও বিএনপিও র্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিল। তবে এখন প্রায় একই ক্ষমতা ও কাঠামোয় এসআরবি নামে রেখে দেওয়া হচ্ছে।
র্যাব বাদ দিয়ে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গঠনের খসড়া আইন অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
এসআরবি আইন, ২০২৬–এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি অর্থবছর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ, কাঁচা মরিচ ও টমেটো আমদানিতে শুল্ক-কর অব্যাহতি এবং ‘ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড মাল্টি ইয়ার অ্যাকশন প্ল্যান ফর এ লেড ফ্রি বাংলাদেশ’–এর খসড়াও অনুমোদিত হয়।
র্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বিশেষায়িত বাহিনী 'স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)' গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। খসড়া আইনে জবাবদিহিতা নিশ্চিতে অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠন এবং কঠোর শৃঙ্খলা বিধির কথা বলা হয়েছে।
র্যাব বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে বিশেষায়িত ইউনিট ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)’ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার; খসড়া আইন প্রকাশ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি, প্রসিকিউটর ও মানবাধিকারকর্মীদের অংশগ্রহণে ঢাকার উত্তরায় র্যাব-১ কার্যালয় সংলগ্ন টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন।
র্যাবের নাম পরিবর্তন করে নতুন ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন আইনের খসড়ায় সামরিক বাহিনী থেকে সদস্য নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই এই বাহিনীর বিলুপ্তির সুপারিশ করে আসছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সঙ্গে পদ্ধতিগত ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি যেভাবে যুক্ত হয়ে পড়েছে, তাতে করে নাম ও পোশাক পাল্টিয়ে বাহিনীটির অতীত কলঙ্ক মুছে ফেলা সম্ভব নয়।