
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশোধিত ছুটির তালিকা প্রকাশ
পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

পাবনার বেড়া উপজেলার ফকিরকান্দি নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘জাকিয়া হাবিব নিম্ন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়’ করার আবেদন করেছেন পাবনা-২ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব।

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে ২১ মের পর থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ।

ঈদুল আজহায় সরকারি- বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকায় সংশোধন আনা হয়েছে।

পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন ছুটির কারণে বৃহস্পতিবার (২১ মে) শেষ ক্লাসের পর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হচ্ছে।

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৬ থেকে ২৩ দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে। প্রাথমিক-মাধ্যমিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ২৪ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত, মাদ্রাসায় ১১ জুন পর্যন্ত ছুটি। জুলাই-আগস্টেও একাধিক ছুটি নির্ধারিত।

মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আওয়ার অব এআই ইন বাংলাদেশ-২০২৬’ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

বাংলা, গণিত ও ইংরেজি বিষয়ের ওপর মূল্যায়ন পরিচালিত হবে। প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৯০ শিক্ষার্থী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেবে।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, অপরিকল্পিত পরিবর্তন ও অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা সংকটে। শিক্ষকদের অবহেলা, অপ্রয়োজনীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রসারণ ও গবেষণার অভাব শিক্ষার ভিত্তি দুর্বল করছে। সংস্কারের জন্য সকলের অংশগ্রহণ ও বাস্তবতা-ভিত্তিক পরিকল্পনা জরুরি।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত স্কুলে গুচ্ছভিত্তিক পদ্ধতিতে সংগীত শিক্ষা চালু করছে সরকার। উপজেলায় ঘুরে প্রশিক্ষকরা পাঠ দেবেন এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতাও আয়োজিত হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পবিত্র ঈদুল ফিতরের উৎসবভাতার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

ক্রীড়া মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কয়েক হাজার ক্রীড়াশিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।