
ভিসা সীমিত, টিকিটের দাম চড়া, তাই বেড়ানোও বন্ধ তাঁদের
বেসরকারি চাকরিজীবী জাকি হায়দার বেড়াতে পছন্দ করেন। ঈদ এলেই পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে কোথাও বেড়ানোর পরিকল্পনা করেন।

বেসরকারি চাকরিজীবী জাকি হায়দার বেড়াতে পছন্দ করেন। ঈদ এলেই পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে কোথাও বেড়ানোর পরিকল্পনা করেন।

ছুটির উত্তেজনায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেয়া পায়েল, সারিকা সাবাহ্, সাদনিমা বিনতে নোমান ও সায়মা। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা ছবিগুলোতে হাজার হাজার রিঅ্যাক্ট ও মন্তব্য জমা হয়েছে। তারকাদের ছুটির আমেজ উপভোগের স্মৃতি ছবিতে ধরা পড়েছে।

প্রকৃতির নৈঃশব্দ্য উপভোগ করতে চাইলে যেতে পারেন দিনাজপুর। বিরলের ধর্মপুরে পাবেন কালিয়াগঞ্জ শালবন, বীরগঞ্জে সিংড়া শালবন আর নবাবগঞ্জ উপজেলায় নবাবগঞ্জ শালবন।

প্রথমবার এই চরে গিয়েছিলাম ২০০৯ সালের দিকে, তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। প্রথম দেখাতেই ভালো লেগে যায়। এরপর যাওয়া হয়েছে বহুবার।

এ দফায় চাকরি ছেড়ে গত ৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছেড়েছি। শুরু করেছিলাম থাইল্যান্ড ভ্রমণের মধ্য দিয়ে। বর্তমানে মাসখানেক ফিলিপাইনে আছি।

দূরে কিছুক্ষণ পরপর সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে হেলিকপ্টার। সেই হেলিকপ্টারে করে আসছেন বিভিন্ন দেশের খ্যাতনামা তারকারা।

কিছু দেশের জন্য বিশ্বকাপে খেলাটা একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা, কিছু দেশের জন্য প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাড়া করে বেড়ানো এক সুতীব্র আকাঙ্ক্ষা।

নেপাল ও পাকিস্তানের মতো দেশ ভিসা ফি মওকুফ সুবিধা পেলেও অন্যতম শীর্ষ পর্যটক বাজার হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ সেই সুবিধার বাইরে রয়ে গেছে।

চিৎকার করে আমার গাইডকে ডাকছি। কিন্তু বাতাসের গর্জনের মধ্যে সে কিছুই শুনতে পাচ্ছে না। মনে হচ্ছিল, এবার বুঝি ফিরে যেতে হবে।

ঈদের ছুটি হোক বা সপ্তাহান্তের অবকাশ; অনেকেরই ইচ্ছা পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়ার। কিন্তু বাজেটের চিন্তায় পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। অথচ তিন পার্বত্য জেলা—বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে এখনো ১৫০ থেকে ১ হাজার টাকা বা এর আশপাশে মেলে হোটেলের কক্ষ। তাই কম খরচে রাত কাটিয়ে দিনে ঘুরে দেখা যায় পাহাড়, ঝরনা, হ্রদ, নদী আর সবুজে মোড়া প্রকৃতির নানা রূপ।

সাদা বাঘের খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট সুমাইয়া ইসলাম। বয়স মাত্র ছয় বছর। বড় বড় চোখ করে বাঘটির দিকে তাকিয়ে ছিল সে। হঠাৎ বাবার হাত চেপে ধরে প্রশ্ন করল, ‘বাবা, বাঘটা কি কামড় দেবে?’ মেয়ের প্রশ্ন শুনে হেসে ফেললেন বাবা মুশফিকুল ইসলাম। তিনি বললেন, ‘ভয় পেয়ো না। বাঘ খাঁচার ভেতরে আছে। কামড় দিতে পারবে না।’

ঈদুল আজহার ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল নেমেছে। গত দুই দিনে অন্তত দুই লাখ পর্যটক বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতসহ জেলার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় করেছেন।