
বেনজীর আহমেদকে ফেরানোর প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে, আমিরাতে কাগজ গেছে তিনদিনে
দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশপ্রধান বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

দুবাইয়ে আবাসন ও সোনার ব্যবসায় বেনজীরের বিনিয়োগ আছে বলে সূত্রের দাবি। পুরোনো সহযোগীদের সঙ্গেই বেনজীরের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কূটনৈতিক ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

২০২৪ সালের মে মাসে বেনজীর আহমেদ দেশ ছাড়ার পর অভিযোগ উঠেছিল, তৎকালীন সরকারের ‘সিগন্যাল’ পেয়েই তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। বিমানবন্দরে তাঁকে আটকানো হয়নি।

দুর্নীতির মামলায় বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ।

দুদকের মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ১১ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী তারিখ ২০ মে নির্ধারিত হয়েছে।

দুবাইয়ের বিপণিবিতান থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বেনজীরকে

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যে কিছু ভুয়া তথ্যও ছড়াচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যা অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে।

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে দুদক প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করেছে।

পুলিশের শীর্ষ পদে থেকে বেনজীর আহমেদ দুর্নীতি ও অপরাধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, সেটি প্রকৃতপক্ষেই ‘বে–নজির’।

দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।