বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর, বাণিজ্যিকভাবে কবে হতে পারে
আগামী মাসে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে আগামী বছর।
আগামী মাসে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে আগামী বছর।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম প্রতি লিটারে ৮ টাকা ৭১ পয়সা কমিয়ে ১০০ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। আজ বৃহস্পতিবার রাত থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত ফার্নেস তেলের দাম লিটারে ৪ দশমিক ৪৪ টাকা কমিয়ে ১০৯ দশমিক ১০ টাকা করা হয়েছে। পরিবর্তনটি ৩০ জুন বিইআরসির সভায় নির্ধারিত হয়।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ বলছে, যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতে কাজ চলছে। এটি মেরামত করে আবার উৎপাদন শুরু করতে পাঁচ থেকে ছয় দিন সময় লাগতে পারে।
দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন আবারও চালু হয়েছে।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে নির্মিত জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের চারটিতেই উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ২৪২ মেগাওয়াট উৎপাদন হলেও এখন হচ্ছে মাত্র ৪০ মেগাওয়াট। এ ছাড়া রাঙামাটি জেলাতেও সরবরাহ কমেছে।
মৌলভীবাজারে দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চা কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা ৬০-৭০ শতাংশে নেমে এসেছে এবং জেনারেটরের অধিক ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কাতার এনার্জির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
কয়লার সঙ্গে পাথর আসায় বয়লার পাইপ ফেটে যায় এবং কুলিং ফ্যান ভেঙে গিয়েছিল। ১ নম্বর ইউনিট থেকে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে।
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার শতাধিক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ বা হ্রাস পেয়েছে।
পাম্পে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। শুক্রবার সকালে এই সমস্যা দেখা দেয়।
শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে প্রায় এক মাস ধরে গ্যাসের বেশি সরবরাহ–সংকট রয়েছে। এর মধ্যে গত সপ্তাহে এই সংকট তীব্র হয়েছে।