নভোচারীর অসুস্থতার কারণে প্রথমবারের মতো আগেই মহাকাশ মিশন শেষ করল নাসা
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ২০৩০ সালের পরে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন ২০৩০ সালের পরে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
৫৩ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র চাঁদের উদ্দেশে নভোচারী পাঠাচ্ছে আর্টেমিস-২ মিশনে। নাসার চার নভোচারী ওরিয়ন ক্যাপসুলে চড়ে ১০ দিনের যাত্রায় চাঁদের চারপাশ ঘুরে ফিরবেন। চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এই মিশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আর্টেমিস–২ অভিযানের চার নভোচারী শনিবার সকালে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় মহাকাশযানের গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ হাজার কিলোমিটার এবং তাপমাত্রা ২৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি গত পাঁচ দশকের পর প্রথম চাঁদপরিক্রমণ অভিযান।
আর্টেমিস-২ চন্দ্রাভিযান শেষে চার নভোচারী পৃথিবীতে ফিরে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে সুস্থ ও খুশি আছেন। নাসার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা শিগগিরই হিউস্টনে ফিরবেন এবং পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। ওরিয়ন ক্যাপসুল সান ডিয়েগো উপকূলে সফলভাবে অবতরণ করেছে।
আর্টেমিস-২ মিশনের চার নভোচারী চাঁদের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করে প্রশান্ত মহাসাগরে নিরাপদে অবতরণ করেছেন। মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে নিয়ে তাঁদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এই অভিযানে একাধিক নতুন রেকর্ড গড়া হয়েছে।
আর্টেমিস-২ অভিযানের চার নভোচারী চাঁদের পেছনে পৌঁছে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন। তারা এখন পৃথিবীর পথে ফিরছেন এবং ১০ এপ্রিল প্রশান্ত মহাসাগরে অবতরণ করবেন। তাঁদের ফিরতে প্রায় চার দিন সময় লাগবে।
৫৩ বছর পর নাসার ‘আর্টেমিস-২’ মিশনে চার নভোচারী চাঁদের পথে রওনা হয়েছেন। ১০ দিনের যাত্রায় তারা চাঁদের চারপাশ ঘুরে ফিরবেন। এটি চাঁদে নিয়মিত যাতায়াত ও ২০২৮ সালের দক্ষিণ মেরু অবতরণের প্রস্তুতি।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা যে অসীম মহাশূন্যে ওড়ার পথে কোনো বাধা নয়, তা প্রমাণ করতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্যারাঅলিম্পিয়ান এবং সার্জন জন ম্যাকফল।
চীন তাদের মহাকাশ স্টেশনে এক বছর থাকার জন্য একজন নভোচারীকে পাঠাচ্ছে। এটি হবে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ মেয়াদের মহাকাশ অভিযান।
নাসার আর্টেমিস-২ মিশনে চার নভোচারী ১ এপ্রিল চাঁদ প্রদক্ষিণ করতে যাচ্ছেন, অবতরণ ছাড়াই। ১৯৭২ সালের পর এটি প্রথম মানববাহী চন্দ্রযাত্রা। চন্দ্রযান-১-এর আবিষ্কার চাঁদের পানি ও সম্পদের আগ্রহ জাগিয়েছে।
তিয়ানগং মহাকাশ স্টেশনে ধান চাষে সফল হয়েছেন চীনের নভোচারীরা, যা গভীর মহাকাশে মানববসতি স্থাপনের গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১৯৯১ সালের ৯ আগস্ট মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে প্রথম ই–মেইল পাঠানোর ঘটনাকে ঘিরে প্রযুক্তির বিকাশের নানা ধাপ তুলে ধরা হলো।