দাম্পত্য কলহের জেরে হত্যার ঘটনা ফাঁস, উঠান খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার
নিহত ব্যক্তির নাম–পরিচয় জানা যায়নি। গত রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম–পরিচয় জানা যায়নি। গত রমজান মাসের মাঝামাঝি সময়ে তাঁকে হত্যা করা হয়।
ইসলামে একজন মুমিন স্বামীর দাম্পত্য জীবনে ৮টি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে, যা কুরআন ও হাদিস থেকে উদ্ধৃত। এগুলো পালন করে সুখী পরিবার গড়া যায়। মহানবী (সা.) নারীদের জ্ঞানার্জনের অনুমতি দিয়েছিলেন বলে আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন।
একজন সব সময় ব্যস্ত, আর অন্যজন ধীরে ধীরে নিজেকে অবহেলিত মনে করেন। এভাবেই অনেক সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব, একাকিত্ব ও ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হয়।
উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.)-এর জীবন থেকে দাম্পত্য জীবনে ত্যাগ ও আনুগত্যের শিক্ষা। নবীজি (সা.)-এর সঙ্গে তাঁর প্রায় নয় বছরের সম্পর্কে ছবি ও খাবার ভাগাভাগির ঘটনা দুটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। এগুলো পারিবারিক শান্তির ভিত্তি গঠনে সাহায্য করে।
দাম্পত্য জীবনে ভাঙন কেবল বড় কোনো অনৈতিক কাজের কারণেই ঘটে না, বরং দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কিছু আচরণ ধীরে ধীরে বিচ্ছেদের পথ প্রশস্ত করে।
প্রতিদিনের অভ্যাস নিয়মিত চর্চা করলে ভালোবাসা আর বিশ্বাস অনেক গভীর হয়ে ওঠে। স্ত্রীর ভুল হলে অপমান নয়, ভালোবাসা দিয়েই তা সংশোধন করা উচিত।
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।
সমস্যা ঝগড়ায় নয়, সমস্যা হয় ঝগড়ার ধরনে। দম্পতি থেরাপিস্টদের মতে, কিছু ছোট অভ্যাস বদলালেই ঝগড়া সম্পর্কের ক্ষতি না করে বরং সম্পর্ককে আরও গভীর করতে পারে।
সুন্দর পোশাক, কিছুটা আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য কিংবা পরিবারের প্রয়োজনীয় জিনিসের প্রত্যাশা করা কোনো অপরাধ নয়। নবীজির স্ত্রীরাও কিছু অতিরিক্ত ভরণপোষণের আবেদন করতেন।
সম্পর্কে বিশ্বাস ভঙ্গ হলে জীবন থমকে যায়। প্রশ্ন হলো, এই ক্ষত কি নিরাময় সম্ভব? ইসলামি মূল্যবোধ বলে হারানো বিশ্বাস ফিরে পাওয়ার পথ বন্ধুর হলেও অসম্ভব নয়।
ইসলাম পারিবারিক সুখ রক্ষায় ১০টি সহজ মনস্তাত্ত্বিক ও নৈতিক সূত্র দিয়েছে। কুরআন ও হাদিসের আলোকে এগুলো অনুসরণ করলে সম্পর্কের ভারসাম্য অটুট থাকবে। শান্তিময় পরিবার গড়ার এই উপায়গুলো সহজেই প্রয়োগ করা যায়।
‘অনেস্টি ইজ দ্য বেস্ট পলিসি’—ছোটবেলা থেকেই আমরা এই প্রবাদবাক্য শুনে আসছি। কিন্তু সব সততা কি সম্পর্কে ভালো পরিণতি ডেকে আনে?