
জুলাই গণহত্যার বিচার ধীর হয়ে গেল কেন, প্রশ্ন তাজুল ইসলামের
জুলাই গণহত্যার বিচারে ধীরগতি দেখছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এই ধীরগতি কেন, তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

জুলাই গণহত্যার বিচারে ধীরগতি দেখছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এই ধীরগতি কেন, তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।

নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাটে একটি স্মৃতিস্তম্ভ রয়েছে। এটি নির্মিত হয়েছে ১৯৭১ সালে গোলাহাটিতে বিহারি ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত ৪৫০ জন হিন্দু ও মাড়োয়ারির স্মরণে; কিন্তু স্মৃতিস্তম্ভটি এখনো অসমাপ্ত। এর মতোই অসমাপ্ত এই গণহত্যার স্বীকৃতি।

হত্যাকারীদের অনেকেই মাড়োয়ারিদের চেনাজানা ও পরিচিতজন। অনেক অনুনয়–বিনয় করেও বাঁচতে পারেননি তাঁরা।

ইসরায়েলি সমাজের ভেতরে বিপজ্জনক কিছু ঘটছে, যার পরিণতি পুরো অঞ্চলের জন্যই গুরুতর হতে পারে। গাজায় গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইসরায়েলি সমাজ সচেতনভাবেই প্রতিশোধকেন্দ্রিক এক সহিংস বয়ানের ব্যাপক ঐকমত্য গড়ে তুলেছে—যে ভাষ্য শুধু ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে নয়, বরং এ অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধকে উৎসাহিত করে।

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় সরকার ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যার সাহস পেয়েছে বলে নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেন। বিএনপির ভূমিকা বিশ্লেষণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণ বিপদে থাকলে বিরোধী দলের উচিত আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া। আলোচনা সভায় সীমান্ত হত্যাকাণ্ড ও বিচারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার দ্রুত ও স্বচ্ছ বিচার নিশ্চিত করাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে নিহতদের রাষ্ট্রীয় শহীদের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির আখতার হোসেন।

৫ মে শাপলা চত্বর গণহত্যার বিচার এবং খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে এ বিষয়ে ত্বরিত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজত নেতারা।

গুয়াতেমালায় মায়া আদিবাসীদের ওপর প্রেসিডেন্ট ইফরাইন রিওস মন্তের প্রশাসনের নির্মম গণহত্যা এবং পরবর্তী সময়ে তা মুছে ফেলার চেষ্টা আধুনিক ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

অপারেশন সার্চলাইট শুরু করার পর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি কমান্ডো দল ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে (রাত দেড়টার দিকে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আটক করে।

বাঙালি জাতির স্বাধিকারস্পৃহা দমনের উদ্দেশ্যে ১৭ জানুয়ারি লারকানায় যে ষড়যন্ত্রের বীজ বপন করেছিল, ২৫ মার্চ দিবাগত রাতে বাঙালির ওপর প্রবল ও ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালানোর মধ্য দিয়ে তা কার্যকর করার চেষ্টা করে।

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কবে এসেছিল আপনাদের গ্রামে? এই প্রশ্নের উত্তরে কেউ তারিখ বলতে পারে না।