কুমির সরিয়ে নেওয়ায় খানজাহান আলী মাজারের খাদেমের ক্ষোভ, ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় থাকা খাদেম।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক হজরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারসংলগ্ন দিঘিতে থাকা একমাত্র কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় থাকা খাদেম।
দিঘিতে শিশুর মৃত্যুর খবর প্রকাশ পায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এসব খবর ও ভিডিও নজরে পড়ে ময়মনসিংহে থাকা ফজিলার পরিবারের চোখে।
বাগেরহাটের খানজাহান মাজারের দিঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের পতন দেখে তারকারা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জয়া আহসান লিখেছেন, ‘বোকা কুকুর!’ ইরফান সাজ্জাদ বলেছেন, দেশের মানুষ খারাপ। প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিলয় আলমগীর।
বনজীবী সুব্রত মণ্ডল কুমিরের আক্রমণে মারা যাওয়ার পর ঈদের আগের দিন জন্ম নিল তাঁর ছেলে।
ভারতের গুজরাটের আনন্দ জেলায় গভীর রাতে বাড়ির বাথরুমে ৭ ফুট লম্বা একটি কুমির ঢুকে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এক পরিবার। বন বিভাগ ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় এক ঘণ্টার অভিযানে প্রাণীটিকে উদ্ধার করে পুকুরে অবমুক্ত করা হয়।
বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজারের দিঘি থেকে সরিয়ে আনা সেই কুমির এখনো খাবার মুখে তোলেনি। খুলনার বন্য প্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে আনার পর কেটে গেছে ১৯ দিন।
দরজা খুলে বিশাল আকারের কুমিরটি দেখে আতঙ্কিত হয়ে উঠলেও ওই ব্যক্তি নিজের মাথা ঠান্ডার রাখতে সক্ষম হন।
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান (রহ.) মাজার-সংলগ্ন দিঘির কুমির সাত বছর বয়সী এক শিশুকে টেনে নিয়ে গেছে। আজ সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে দিঘির মহিলা ঘাটে ওই ঘটনা ঘটে।
অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে কুমির ও বিষধর সাপের মতো শিকারি প্রাণী ছাড়ার একটি বিতর্কিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ভারত।
আজ সোমবার ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে জেলের বড়শিতে আটকা পড়েছে একটি কুমির।
বাগেরহাটের হজরত খানজাহান (রহ.)-এর মাজারের দিঘিতে কুমির কুকুর টেনে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কুকুরটির মৃতদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে জলাতঙ্ক রোগ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল ভিডিও নিয়ে চলছে বিতর্ক।
ভারতের বিজেপি নেতা অমিত শাহের বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়ার প্রস্তাব নিয়ে উত্তেজনা। তথাকথিত অনুপ্রবেশকারীদের ‘উইপোকা’ বলে চিহ্নিত করে এ ভাষা ঐতিহাসিক অমানবিকীকরণের সঙ্গে তুলনীয়। এর পেছনে চার্চিলের মতো ঔপনিবেশিক মানসিকতার ছায়া দেখা যাচ্ছে।