করিডর ঘিরে নতুন সমীকরণে ঢাকা–বেইজিং সম্পর্ক
এই সফরে নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও দু-একটি জায়গায় কিছু অস্পষ্টতা ও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
এই সফরে নেওয়া বেশ কিছু সিদ্ধান্ত ইতিবাচক হলেও দু-একটি জায়গায় কিছু অস্পষ্টতা ও চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
চীন মালাক্কা প্রণালির ঝুঁকি মাথায় রেখে নতুন করিডর নির্মাণের কৌশল গ্রহণ করছে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও স্থিতিশীল করতে সহায়তা করবে।
মিয়ানমারের রাখাইন উপকূলে কিয়াউকফিউ নামের ছোট্ট বন্দরকে ঘিরেই দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বড় ভূরাজনৈতিক টানাপড়েন চলছে।
চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর (সিএমবিসি) নিয়ে বেইজিংয়ের আগ্রহ দীর্ঘদিনের। গত মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর নতুন করে আলোচনায় আসে বিষয়টি। ওই সফরে নতুন করে বাংলাদেশের শীর্ষ নেতার কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্ভাব্য এই অর্থনৈতিক করিডর ঘিরে নতুন সম্
কিয়াউকপিউ বন্দর কেন্দ্রিক চীন-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে, যা এখন বাংলাদেশের সামনে এক নতুন বিবেচ্য বিষয়।
ঢাকা থেকে গাজীপুর বাংলাদেশের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন করিডর। দেশের শিল্প, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থার সঙ্গে এ রুটের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।
প্রকৃতি সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক জোট আইইউসিএন হাতিকে মহাবিপদাপন্ন হিসেবে তালিকভুক্ত করেছে। এর মানে, হাতি আগামী কয়েক দশকের মধ্যে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে আছে।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর শুধু একটি নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় সফর নয়; বরং এটি দক্ষিণ এশিয়ার পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা জোরদার করতে সুরক্ষা বাহিনীর আরও সদস্য মোতায়েন ও সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চীন সফরের নগদ প্রাপ্তি নিয়ে প্রশ্নকে বিব্রতকর বলে আখ্যায়িত করেছেন।
চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর আপাতদৃষ্টিতে একটি অবকাঠামোগত ও বাণিজ্যিক সংযোগ প্রকল্প। কিন্তু গভীরে গেলে এটি শুধু রাস্তা, রেল, বন্দর, পাইপলাইন বা শিল্পাঞ্চলের প্রশ্ন নয়, এটি বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে এশিয়ার নতুন ভূ-অর্থনৈতিক মানচিত্র নির্মাণের একটি ইঙ্গিত।
যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের জ্বালানি করিডর বন্ধের হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি), যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।