এস আলম গ্রুপের সাইফুল আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ জনের বিচার শুরু
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ৪৩১ দশমিক ৬৯ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকে নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এস আলম গ্রুপ নিজেদের লোক নিয়োগ শুরু করে। চেয়ারম্যান আরাস্তু খানের সঙ্গে বিরোধের পর এস আলম তাঁকে বলেন, ‘ইউ হ্যাভ টু স্টেপ ডাউন’। এরপর আরাস্তু খান পদত্যাগ করেন।
সরকারের সঙ্গে এস আলম গ্রুপের সমঝোতার সম্ভাবনা নাকচ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন সংশোধনও এই কারণে হয়নি।
বিএফআইইউ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সোয়া ২ লাখ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করেছে এস আলম গ্রুপ।
বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক প্রভাব ও গোয়েন্দা সংস্থা ব্যবহার করে ৭টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গ্রুপটি।
এস আলম ও সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করায় ইসলামী ব্যাংকের এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের কয়েকটি ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের বড় অঙ্কের টাকা লুট ও পাচার প্রমাণিত। তাদের শাস্তি দিয়ে সকলের শিক্ষা দিতে হবে এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে টাকা আদায় করতে হবে। নতুন সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি।
এস আলম, পি কে হালদারসহ ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ৩৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলার বিচার শুরু।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ ও এলসি খুলতে না পারায় এস আলম গ্রুপের ১১টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ১০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তা বেকার হয়ে পড়েছেন।
এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের নামে জমি ও স্থাপনা দেখভালে রিসিভার নিয়োগের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আন্তর্জাতিক সালিসি আদালতে এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল আলম (এস আলম) ও তাঁর পরিবারের করা মামলার বিরুদ্ধে লড়তে ব্রিটিশ একটি ল ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে সরকার।