
ইতালিকে ছাড়া আরেকটি বিশ্বকাপ
এভাবে কত শত সমর্থক গত ১২ বছরে নীল বেদনায় লীন হয়ে দল বদলে ফেলেছেন, তার হিসাবই বা কে রেখেছে!

এভাবে কত শত সমর্থক গত ১২ বছরে নীল বেদনায় লীন হয়ে দল বদলে ফেলেছেন, তার হিসাবই বা কে রেখেছে!

ফাইনালে জিনেদিন জিদান ইতালির মার্কো মাতেরাজ্জির করা অপমান সহ্য করতে না পেরে মাথা দিয়ে একটি ঢুস দিয়েছিলেন। সেটি ছিল ২০০৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা।

বিশ্বকাপ গল্পে ঐতিহাসিক বিতর্ক আছে, আছে রোমাঞ্চ কিংবা অজানা চমক। বিশ্বকাপের তেমন একটি গল্প নিয়ে এ আয়োজন।

প্রতি বিশ্বকাপেই কিছু খেলোয়াড় দেখা যায়, যাঁদের জন্ম এক দেশে, খেলছেন অন্য কোনো দেশের হয়ে। তবে জন্মভূমির বাইরের দলের হয়ে খেলে বিশ্বকাপ খেলার কীর্তি খুব বেশি নেই।

যে রসি প্রথম চার ম্যাচে ছিলেন খলনায়ক, টুর্নামেন্ট শেষে তিনিই ইতালির হাতে বিশ্বকাপ এনে দিয়ে জিতলেন সর্বোচ্চ গোলদাতার ‘গোল্ডেন বুট’ এবং সেরা খেলোয়াড়ের ‘গোল্ডেন বল’।

১৯৯৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করার স্মৃতি এখনো রবার্তো বাজ্জোকে স্বপ্নে তাড়িয়ে বেড়ায়। নতুন বইয়ের সাক্ষাৎকারে তিনি চোটের যন্ত্রণা ও আধ্যাত্মিক শক্তির গল্প শোনিয়েছেন। এই ঘটনা তাঁর জীবনের চিরস্থায়ী দাগ।

ইতালির শীর্ষ দুই লিগ সিরি ‘আ’ ও সিরি ‘বি’র রেফারিদের প্রধান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর নাম গিয়ানলুকা রোচ্চি।

বিশ্বকাপে ইরানকে সরিয়ে ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করতে ফিফাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্পের এক বিশেষ দূত। তবে এমন প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দিয়েছে ইতালি।

সূচি অনুযায়ী, ১৫ ও ২১ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে যথাক্রমে নিউজিল্যান্ড ও বেলজিয়ামের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে ইরানের। ২৬ জুন সিয়াটলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ মিসরের বিপক্ষে।

টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

ইতালির ফুটবলে আমূল পরিবর্তনের জন্য এখন ডাগআউটে একজন জাদুকর প্রয়োজন। বোনুচ্চির মতে, সেই জাদুকরের নাম পেপ গার্দিওলা!

চ্যাম্পিয়নস লিগের পর ইউরোপা লিগ ও কনফারেন্স লিগ থেকেও বিদায় নিয়েছে ইতালিয়ান ক্লাব। বিশ্বকাপে খেলার টিকিটও এবার পায়নি ইতালি।