আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ
রমজান মাসে সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার কমানোর অনুরাধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
রমজান মাসে সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার এবং ব্যক্তিগত যানবাহন ব্যবহার কমানোর অনুরাধ জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
সব বিপণিবিতান ও ব্যবসায়ী স্থাপনার বাইরের আলোকসজ্জা বন্ধ রাখাসহ তিনটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের নির্দেশনা অমান্য করেই রাজধানীর শপিং মলগুলোতে চলছে অতিরিক্ত আলোকসজ্জা।
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশে কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
পবিত্র ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকান-বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে সরকার। আজ মঙ্গলবার থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে। তবে আলোকসজ্জা বা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার নিষিদ্ধ।
জ্বালানি সংকটের কারণে রাত ৮টায় দোকানপাট ও সন্ধ্যা ৭টায় আলোকসজ্জা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের বিপণিবিতান ও দোকানপাটের খোলার সময় রাত ৮টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। আলোকিত বিলবোর্ড ও আলোকসজ্জা বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ১২ মে থেকে এটি কার্যকর হবে। মন্ত্রীর নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তবে আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ।
জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ফ্যাশন উদ্যোগ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা খোলা রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। তারা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও রাজস্ব রক্ষায় আলোকসজ্জা হ্রাস, এসি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ বিকল্প পদক্ষেপের কথা বলেছে। এতে অর্থনৈতিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদী।
গ্যাসের সরবরাহ কমেছে, কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ।
ফিফা গলির এই আয়োজনের অন্যতম উদ্যোক্তাদের একজন সাজ্জাদ হোসাইন রাসেল। তিনি জানান, ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ থেকেই এই লেন সাজানোর উদ্যোগ শুরু হয়।
এই দিনে একদিকে যেমন মহান বিজয়ের পদধ্বনি শোনা যায়, তেমনি আধুনিক ইতিহাসের এক বিষাদময় অধ্যায় হিসেবে এটি ফিলিস্তিনের ‘নাকবা’ বা মহাবিপর্যয়ের সাক্ষী।