
টক শো করে এবি পার্টির মঞ্জুর আয় ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা
মঞ্জুর বার্ষিক আয়ের অর্ধেক টক শো থেকে

মঞ্জুর বার্ষিক আয়ের অর্ধেক টক শো থেকে

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের হয়ে ফেনী-২ (সদর) আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মজিবুর রহমানের বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৪৩ টাকা। এর মধ্যে টেলিভিশনে টক শো করেই তিনি আয় করেছেন ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা তাঁর বার্ষিক আয়ের প্রায় অর্ধেক।

৭ জানুয়ারি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় সংশোধিত এডিপি পাস হতে পারে। সংশোধিত এডিপির আকার হতে পারে ২ লাখ কোটি টাকা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তাঁর অস্থাবর সম্পত্তির দাম ৭০ কোটি টাকা দেখিয়েছেন মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায়। স্থাবর সম্পত্তির বর্তমান মূল্য দেখিয়েছেন ‘অজানা’, তবে এর অর্জনকালীন দাম দেখিয়েছেন পৌনে চার কোটি টাকা। সেই সঙ্গে ২৫ কোটি টাকা

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় দুই কোটি টাকার সম্পদ এবং ২০ ভরি স্বর্ণের মালিকানা দেখিয়েছেন ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান। হলফনামা অনুসারে তাঁর বছরে আয় আনুমানিক ১১ লাখ টাকা। সোনা আছে ২০ ভরি।

সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ৪৭ লাখ টাকা ব্যয় করে নির্বাচনের খরচ চালাবেন ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া তাসনিম জারা।

অনুদানের টাকা নির্বাচনে ব্যয় করবেন তাসনিম জারা

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনেও চুয়াডাঙ্গা-২ আসন থেকেই বিএনপির মনোনয়নে প্রার্থী হয়েছিলেন মাহমুদ হাসান খান।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনিরের বছরে আয় ৫২ লাখ টাকা। স্ত্রীর আয় তাঁর চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ, অস্থাবর সম্পদ তিন গুণের বেশি।

আজ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকাকে ১০ উইকেটে হারিয়ে বলা যায় লজ্জাই দিয়েছে চট্টগ্রাম।

সৈয়দ ফয়জুল করীমের স্ত্রীর নগদ অর্থ রয়েছে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর উপহার বাবদ পাওয়া সোনা রয়েছে ১৮৭ ভরি।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর অস্থাবর সম্পদের মোট মূল্য (অর্জনকালীন) ২৬ লাখ ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা।