
আইপিএল কাঁপিয়ে কান্নায় বিদায় সূর্যবংশীর
আইপিএলে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য এক মৌসুম কাটিয়েছেন সূর্যবংশী। একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। যদিও খেলা হচ্ছে না ফাইনালে।

আইপিএলে ব্যাট হাতে অবিশ্বাস্য এক মৌসুম কাটিয়েছেন সূর্যবংশী। একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। যদিও খেলা হচ্ছে না ফাইনালে।

গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে আর্সেনালের মুখোমুখি হয়েছিল পিএসজি। লন্ডনে প্রথম লেগ ১-০ গোলে জেতার পর প্যারিসে দ্বিতীয় লেগে পিএসজি জিতেছিল ২-১ গোলে।

ঈদের দিন বিকেল পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই ছিল। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা গরুর চামড়া সংগ্রহ করছিলেন। কেউ ভ্যানে। কেউ পিকআপে। কারও সামনে শত শত চামড়া। সবারই আশা ছিল, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম উঠবে। কিন্তু সেই আশা শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায়।

চামড়ার বাজারে নজিরবিহীন ধস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। চামড়ার সঠিক মূল্য না পেয়ে হতাশায় অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী বা সাধারণ মানুষ চামড়া মাটির নিচে পুঁতে ফেলছেন।

চট্টগ্রামের অনেক মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীর মুখে এবার একই ধরনের হতাশা। গত ঈদে মৌসুমি বিক্রেতারা প্রত্যাশিত দাম পাননি। কেউ গরুর চামড়া কেনা দামের অর্ধেকেরও কমে বিক্রি করতে বাধ্য হন। আবার কেউ শেষ পর্যন্ত কোনো ক্রেতাই পাননি।

মৌসুমি বায়ু দেশে প্রবেশের আগের এ সময় প্রকৃতির ‘বেহিসাবি’ আচরণ চোখে পড়ছে। এটাকে এ সময়ের বৈশিষ্ট্য বলেই মনে করেন আবহাওয়াবিদেরা।

ইতিহাস লিখেছেন সূর্যবংশী। প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আইপিএলের এক মৌসুমে ২০০–এর বেশি স্ট্রাইক রেটে ৫৫০–এর বেশি রান করেছেন ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

ঘন ঘন লোডশেডিং, ডিজেলসংকট, বৃষ্টিসহ নানা কারণে চলতি মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় লবণ উৎপাদন কমেছে। একই সংকটের কারণে বেড়েছে উৎপাদন খরচ। চাষিদের দাবি, খরচের বাড়লেও লবণের দাম সেভাবে বাড়েনি। ফলে লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের।

অসুস্থতা নিয়ে হতাশাজনক এক মৌসুম কাটানোর পরও কলম্বিয়ার বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ হামেস রদ্রিগেজ। আছেন লুইস দিয়াজও।

উত্থান, পতন ও নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ২০২৫-২৬ মৌসুমের ঘরোয়া লিগের আসর। এর মধ্যে নিশ্চিত হয়ে গেছে ইউরোপিয়ান স্পটও।

বেকারত্বকে কেবল ২৬ লাখের একটি সংখ্যা হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি একটি কাঠামোগত ব্যাধি। তথ্যভিত্তিক নীতিনির্ধারণ, শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার ছাড়া রাকিবুলদের মতো হাজারো তরুণের এই দীর্ঘশ্বাস দূর করা সম্ভব নয়।

ধানকাটা মৌসুমে সাঁথিয়া ও বেড়ার বিভিন্ন গ্রাম থেকে দল বেঁধে বিভিন্ন জেলায় যান ‘দাওয়াইল্যারা’। যারা কৃষিশ্রমিকের কাজ করে মজুরি হিসেবে পাওয়া ধান নিয়ে বাড়ি ফেরেন।