‘আখেরি চাহার শোম্বা’ পালন করা কি সুন্নত
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
ফকিহগণ এ নিয়ে মতভেদ করেছেন যে মিসওয়াক নির্দিষ্টভাবে অজুর সুন্নত, নাকি নামাজের সুন্নাহ, নাকি ইসলামের একটি সাধারণ সুন্নত, যা সর্বাবস্থায় ও সর্বসময়ে কাম্য?
নবীজির পারিবারিক জীবন ছিল অত্যন্ত বাস্তবমুখী, প্রাণবন্ত ও ভালোবাসায় ঘেরা। তাঁর ঘর কোনো যান্ত্রিক বা আবেগহীন স্থান ছিল না; বরং তা ছিল মানবিক অনুভূতির এক জীবন্ত কেন্দ্র।
নবীদের দোয়াগুলো পাশাপাশি রাখলে একটা মিল চোখে পড়ে। তাঁরা কেউ দীর্ঘ আরজি করেননি। শুধু নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে অপেক্ষা করেছেন আল্লাহর সাহায্যের।
কোরআনের এই ব্যাকরণিক যোগসূত্র প্রমাণ করে যে, সুরা ফিলের ঘটনা না ঘটলে সুরা কোরাইশের ‘নিরাপত্তা ও বাণিজ্য সুবিধা’ (ই–ইলাফ)-র কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তিই থাকে না।
পিতার শেকলে বন্দি থেকেও দুই ভাইয়ের ধর্মীয় দায়বোধ ও সংগ্রামের নানা পর্যায়—বদর, হোদাইবিয়া ও মক্কা বিজয়ের প্রেক্ষাপটে বর্ণিত।
আমরা ‘অবসর’ বলতে যা বুঝি, তার বাহ্যিক আর ভেতরের বাস্তবতার মধ্যে বিরাট ফারাক থাকে। ইসলাম সময় আর অবসরের ধারণাটাকে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে দেখে।
সময় ব্যবস্থাপনা মানে দৈনন্দিন কর্মঘণ্টাকে সুপরিকল্পিতভাবে সাজিয়ে কম সময়ে বেশি কাজ করার একটা দক্ষতা। আজ এমন কিছু অভ্যাসের কথা বলা হলো।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পেছনে মিরাজের রাতের ইতিহাস এবং এর ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা।
মদিনা ছিল একটা উর্বর মরূদ্যান, যেখানে খেজুরবাগান ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি একটি নতুন জনগোষ্ঠীকে খাদ্য-নিরাপত্তা দেওয়ার সামর্থ্য রাখত। যা মক্কার শুষ্ক, বাণিজ্যনির্ভর অর্থনীতিতে ছিল না।
রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন আর জিজ্ঞেস করতে থাকেন, কে আছ যে ডাকবে, আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে, আমি দেব।