হামলা বন্ধের মধ্যেই ইরান কেন প্রথম হামলা চালাল
মধ্যপ্রাচ্যের সাময়িক শান্তি ভেঙে আবার সংঘাত শুরুর প্রেক্ষাপট, ট্রাম্পের বক্তব্য ও হরমুজ প্রসঙ্গে ইরানের অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষণ।
মধ্যপ্রাচ্যের সাময়িক শান্তি ভেঙে আবার সংঘাত শুরুর প্রেক্ষাপট, ট্রাম্পের বক্তব্য ও হরমুজ প্রসঙ্গে ইরানের অবস্থান নিয়ে বিশ্লেষণ।
প্রতিটি নতুন দফা হামলায় সমঝোতার রাজনৈতিক মূল্য ক্রমেই বাড়ছে। ফলে শান্তির সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকেরা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সামরিক সংঘাত এবং দীর্ঘমেয়াদি ‘ক্ষয়িষ্ণু যুদ্ধ’ কৌশলের বিশ্লেষণসহ টেকসই কূটনৈতিক সমাধানের প্রস্তাবনা।
রোববার নিউইয়র্ক–নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনাকে ১–০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন।
টানা নবম দিনের মতো ইরানে মার্কিন হামলা এবং পাল্টা ইরানি আক্রমণের মধ্যেই মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কূটনৈতিক আলোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে দুই দেশ।
জর্ডানের একটি ঘাঁটিতে মার্কিন যোগাযোগব্যবস্থা ও জ্বালানি ডিপো এবং কুয়েতের ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা সমাবেশ লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
তেহরান এখন সংঘাতের আওতা বাড়িয়ে ওয়াশিংটনের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়মনীতি নিয়ে কমই ভাবেন—এমন বাস্তবতা ইরানও বুঝে নিয়েছে। ফলে ইরানের অবস্থান ও সমঝোতা স্মারকের ব্যাখ্যা ঘিরেই এখন ট্রাম্পের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও টানাপোড়েনের ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যুদ্ধের পরও উভয় পক্ষের ভেতরে আলোচনার কথা উঠছে—তবে সমঝোতা টিকিয়ে রাখা হবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে এক দফা সরাসরি বৈঠক করেছিল।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলায় ফিরলেও তাদের কোনো সুস্পষ্ট ‘প্ল্যান সি’ দৃশ্যমান নয়।
পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি প্রক্রিয়া ও সমঝোতা স্মারক এখন হুমকির মুখে; ট্রাম্প জানিয়েছেন যুদ্ধবিরতির সমাপ্তি।