জর্ডান ও কুয়েতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। জর্ডানের একটি ঘাঁটিতে মার্কিন যোগাযোগব্যবস্থা ও জ্বালানি ডিপো এবং কুয়েতের ঘাঁটিতে মার্কিন সেনা সমাবেশ লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।

.

ইরানের সেনাবাহিনী বলেছে, তারা জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সামরিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং জ্বালানি সংরক্ষণাগার (ফুয়েল স্টোরেজ ট্যাংক) লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জর্ডানের এ বিমানঘাঁটি মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্য ও তাঁদের বিভিন্ন অভিযান পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।

তবে এ হামলার বিষয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি। জর্ডান সরকারের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

.

এদিকে কুয়েতের আলী আল সালেম বিমানঘাঁটিতে মার্কিন সেনাদের একটি সমাবেশ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরানের এলিট ফোর্স রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। এর পাশাপাশি সেখানে থাকা একটি প্রারম্ভিক সতর্কবার্তা রাডারব্যবস্থা (আর্লি ওয়ার্নিং রাডার সিস্টেম) লক্ষ্য করেও তারা হামলা চালিয়েছে বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করেছে।

.ইরানের দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা, রাতভর হরমুজ প্রণালিতে বিস্ফোরণ.

জর্ডানের ঘটনার মতো কুয়েতে এ হামলার বিবৃতির বিষয়েও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা পেন্টাগনের কাছ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

.আইন ভাঙার খেলায় ট্রাম্প: হরমুজে ২০% টোলের পেছনে আসল রহস্য কী