
২৮ আসনে জয়-পরাজয়ে প্রভাব বিএনপির বিদ্রোহীদের
২৮ আসনে জয়-পরাজয়ে প্রভাব বিএনপির বিদ্রোহীদের

২৮ আসনে জয়-পরাজয়ে প্রভাব বিএনপির বিদ্রোহীদের

বিপুল জয়ের পর বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানাতে সারা দেশ থেকে আসছেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন তিন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁদের প্রতি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলো আলাদা করে সমর্থন দিয়েছিল। তবে ভোটের মাঠে এর প্রভাব পড়েছে কম।

একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলো। ভোটাররা অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতা অনেকে অনুভব করলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী।

বিএনপির বিদ্রোহী ছিল—এমন ২১টিতে জিতেছেন জামায়াত জোটের প্রার্থীরা। ৭টিতে জিতেছেন বিদ্রোহীরা।

স্বাধীনতার পর প্রথম নির্বাচনে সংসদে ব্যবসায়ী কম ছিল। এর পর থেকে তাঁদের আধিক্য বেড়েছে।

ন্যায় ও সত্যের ওপর অটল থাকার প্রত্যায় জানিয়েছেন জামায়াতের আমির।

বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে এবার ব্যতিক্রমী ফল হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর কাছে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

নিরঙ্কুশ জয়ের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতিতে বিএনপি। জ্যেষ্ঠ নেতাদের পাশাপাশি নতুন মুখ ও শরিকদের নিয়েও জোর আলোচনা।

মৌলভীবাজার–২ (কুলাউড়া উপজেলা) আসনে ৩০ বছর পর জয়ের মুখ দেখেছে বিএনপি।