বিশ্বের সেরা ১০ এক্সিকিউটিভ এমবিএ প্রোগ্রাম: শীর্ষে অক্সফোর্ড
কিউএস এক্সিকিউটিভ এমবিএ র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিজনেস স্কুল শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও স্পেনের বিজনেস স্কুলগুলোও স্থান পেয়েছে।
কিউএস এক্সিকিউটিভ এমবিএ র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিজনেস স্কুল শীর্ষস্থান অর্জন করেছে। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও স্পেনের বিজনেস স্কুলগুলোও স্থান পেয়েছে।
মূলত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী কাজ করেন, এমন দেশগুলো থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় আসে।
পরিবারে যাঁরা স্বজনদের সেবাযত্ন করেন (ফ্যামিলি কেয়ারার), তাঁদের জন্য আরও বেশি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
লন্ডনের ট্রান্সপোর্ট ফর লন্ডনের (টিএফএল) ডিজিটাল অবকাঠামো অচল করার দায়ে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি থালহা জুবায়ের ও তাঁর সহযোগীকে সাড়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে যোগ দিলেন সাবেক মন্ত্রী মদন মিত্র; অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আজ ইডির চেয়েও ভয়ংকর এবি’।
যুক্তরাজ্যের বার্কবেক, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন ‘বার্কবেক ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স স্কলারশিপ ২০২৬’ চালু করেছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফিতে ১,০০০ থেকে ৫,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে।
দলের ৪০৩ এমপির মধ্যে ৩২২ জনের সমর্থন নিয়ে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আরও এগোচ্ছেন; বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দরকার আরও একজন এমপির সমর্থন—তারপর আগামী সপ্তাহে লিডার ঘোষণা, ২০ জুলাই দায়িত্ব নেওয়ার কথা।
আঙ্কারায় আয়োজিত শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রতিটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের একই ধরনের উপহার দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ থেকে পালিয়ে যুক্তরাজ্যে আসা এক তরুণের রোমহর্ষক যাত্রার গল্প।
বার্নহাম মুখে নিজেকে আলাদা দাবি করলেই চলবে না, তাঁকে কাজেও তা প্রমাণ করতে হবে। আর তাঁর প্রথম প্রমাণ হবে—তিনি নিজের পাশে কাদের জায়গা দিচ্ছেন।
কিয়ার স্টারমার লেবার পার্টির নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করেছেন, যার অর্থ যথাসময়ে তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদও ছাড়ছেন। মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে অ্যান্ডি বার্নহামের বিশাল জয়ের পর, শেষ পর্যন্ত শত চেষ্টা আর লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও প্রবল চাপ আর সামলাতে পারলেন না স্টারমার।
পোল্যান্ড থেকে পর্তুগাল—প্রায় সব দেশেই সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ চান ব্রিটেন আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফিরে আসুক। অনেকেই মনে করেন, এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য ইউরোপীয় কমিশনের কঠোর অবস্থান কিছুটা শিথিল করা উচিত, বিশেষ করে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে।