চকরিয়ায় পাহাড়ধসে দুই শিশুর মৃত্যু
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে রুমি আক্তার ও ওয়াহিদুল ইসলাম নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় পাহাড়ধসে রুমি আক্তার ও ওয়াহিদুল ইসলাম নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার আজ বৃহস্পতিবার সকালে মুক্তকণ্ঠকে এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
চট্টগ্রাম–১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বিশেষ করে তাঁর লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলী এবং মাননীয় অর্থমন্ত্রীর এলাকার মানুষ পানিতে ভাসছে।
আজ বুধবার বেলা দুইটার দিকে ভারী বর্ষণে দেয়াল ধসে পড়লে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার আগে মাদ্রাসাটিতে ৩০ জন শিশু ছিল।
কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর আশ্রয়শিবিরে দেয়াল ধসে তিন মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও কয়েকজন মাটিচাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারো পাহাড়ধসে ছয়জন নিহত, পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নিচু এলাকা
চট্টগ্রামের রহমাননগরে পাহাড়ধসে দেয়ালের নিচে চাপা পড়ে সফিকুল ইসলাম নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শিশুসহ আরও দুজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কক্সবাজার শহরতলিতে টানা ভারী বৃষ্টির ফলে পাহাড়ধসে লিমা আক্তার নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত তাঁর স্বামী জসিম উদ্দিন বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি পৌরসভার পশ্চিম লাইল্যাঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসে লক্ষ্মী বিলাস চাকমা (৭০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশে গাছ কাটার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় আজ রোববার আলপালনি উৎসব উদ্যাপন করছেন চাষিরা। পাহাড়ি জুমচাষি ও হালচাষিরা প্রতিবছর ৭ আষাঢ় এই উৎসব উদ্যাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও উৎসবটি উদ্যাপিত হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি জেলার গহিন বনে কচুর মুখি চাষের জন্য যেভাবে মাইলের পর মাইল বন পুড়িয়ে ন্যাড়া করা হচ্ছে, তা কেবল উদ্বেগজনকই নয়; পরিবেশের ওপর এক অপূরণীয় আঘাত।
পাহাড়ধসের এ ঘটনা ঘটেছিল ২০১৭ সালের ১৩ জুন রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী এলাকায়। আজ শনিবার সে পাহাড়ধসের ৯ বছর পূর্ণ হচ্ছে।