পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কেন মাছ নিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মাছ হয়ে উঠেছে বিজেপি ও তৃণমূলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার।
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে মাছ হয়ে উঠেছে বিজেপি ও তৃণমূলের প্রধান রাজনৈতিক হাতিয়ার।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে প্রথমে বাদ দেওয়া হয়েছে প্রায় ৯২ লাখ মানুষকে।
জঙ্গলমহল হিসেবে পরিচিত পশ্চিমবঙ্গের চার জেলায় জনসভায় অংশ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ভারতের গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে চলতি মাসে নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিতর্কিত ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে অসংখ্য মানুষের নাম বাদ পড়েছে, যাঁদের মধ্যে মুসলিমই বেশি বলে অভিযোগ উঠেছে।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে ৯১ লাখের নাম বাদ, তৃতীয় দফায় ৬৫ শতাংশ মুসলিম। মুর্শিদাবাদে সবচেয়ে বেশি ছাঁটাই, রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র। তৃণমূল অভিযোগ করেছে বিজেপির নির্দেশে কমিশন কোপ মেরেছে।
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে ২৭ লাখের নাম বাদ পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইভিএম নিয়ে কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী এতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন।
পশ্চিমবঙ্গে আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ভোটার তালিকার সংশোধন শেষ হয়নি। ৬০ লাখের মধ্যে ২৩ লাখ ভোটারের শুনানি বাকি থাকায় রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষুব্ধ। তৃণমূল কংগ্রেসসহ বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ চলছে।
দলটি রোববার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে ২৯৪ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ১৫৪ আসনে প্রার্থীর তালিকা ঘোষণা করেছে।
এবার বাদ দেওয়া হয়েছে চারজন মন্ত্রীকে। তাঁরা হলেন মনোজ তেওয়ারি, বিপ্লব রায়, জোসনা মান্ডি ও তাজমুল হোসেন।
পশ্চিমবঙ্গে এখন ভোটারসংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লাখ।
মোদি চ্যালেঞ্জের সুরে বলেছেন, ২০২৬–এ এই বাংলা থেকে তৃণমূলের মহা জঙ্গলরাজের বিদায় হবে।