
আরব–ইরান সম্পর্ক ভাঙনের মুখে
ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা এসব প্রতিবেশী দেশের দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা কেবল ঐতিহাসিকভাবে কৌশলগত ভুলই নয়, বরং চরম নৈতিক ও আইনি ব্যর্থতা।

ইরান তার ক্ষেপণাস্ত্রের নিশানা এসব প্রতিবেশী দেশের দিকে ঘুরিয়ে দিয়ে যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা কেবল ঐতিহাসিকভাবে কৌশলগত ভুলই নয়, বরং চরম নৈতিক ও আইনি ব্যর্থতা।

যুদ্ধের অষ্টম দিনে ইরান জুড়ে আরও তীব্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা হামলা ইরানের।

ইরানি কুর্দি জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠীর এক নেতা বলেছেন, ইরানি কুর্দিরা সীমান্ত পেরিয়ে দেশের অভ্যন্তরে স্থল অভিযান চালানোর ‘প্রবল’ সম্ভাবনা রয়েছে।

ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডসের কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার প্রতিশোধ নিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বা অন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রের দায়ে এক পাকিস্তানি নাগরিক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

ইরানে হামলা প্রশ্নে ট্রাম্প এবং তাঁর কর্মকর্তারা একেবারে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

কোন দিকে তাকাব, কাকে সমর্থন করব? মন ভাবছে একদিকে, চোখ দেখছে অন্যদিকে। মন বলছে, ইরানের পরাজয় মানে ফিলিস্তিনি জনগণের স্বাধীনতার মৃত্যুঘণ্টা।

‘আমরা ভেনেজুয়েলায় যা করেছি, আমি মনে করি, সেটাই যথাযথ।’

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ওপর হামলা জোরদার করছে ইরানপন্থী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাদের লক্ষ্যবস্তুও করছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান।

বিশ্বের মোট জ্বালানির এক–ষষ্ঠাংশ এবং এলএনজির এক–তৃতীয়াংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়ে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অর্ধশতকের কৌশল মেনে মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোকে নিয়ন্ত্রণ বা বিভক্ত করছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি তরফ থেকে অবশ্য ভিন্নকথা বলা হয়েছে। কেন এই যুদ্ধ, তার ব্যাখ্যায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ পর্যন্ত আধা ডজনের মতো কারণ দেখিয়েছেন।