৫ বছরে আইসক্রিমের বাজার দ্বিগুণ, বাড়ছে স্বাদের লড়াই
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে যখন মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সংকটের মতো নানা চ্যালেঞ্জ চলছে, তখন একটি খাত নীরবে অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। আর তা হলো আইসক্রিমশিল্প।
দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে যখন মূল্যস্ফীতি ও আর্থিক সংকটের মতো নানা চ্যালেঞ্জ চলছে, তখন একটি খাত নীরবে অভাবনীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। আর তা হলো আইসক্রিমশিল্প।
গরমের দিনে এক স্কুপ ঠান্ডা আইসক্রিম যেন মুহূর্তেই মন ভালো করে দিতে পারে। শিশু থেকে বয়স্ক, প্রায় সব বয়সের মানুষের কাছেই এটি অন্যতম প্রিয় ডেজার্ট। শুধু স্বাদের জন্যই নয়, আনন্দ ভাগাভাগি করার একটি মাধ্যম হিসেবেও আইসক্রিমের জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে। সেই ভালোবাসাকেই উদযাপন করতে প্রতি বছর জুলাই মাসের তৃত
দিল আফরোজের রেসিপি অনুযায়ী পাকা আম, ক্রিম ও চিনি দিয়ে তৈরি করা যায় মজাদার আমের পসেট।
দিল আফরোজের রেসিপিতে ঘরেই তৈরি করে নিন পুষ্টিকর ও সুস্বাদু কালো জামের আইসক্রিম।
৭ জুলাই বিশ্ব চকলেট দিবসে দেশে চকলেট উৎপাদন ও বাজারায়নে অগ্রগতির ছবি, বাজারের আকার, দেশি ব্র্যান্ডগুলোর ভূমিকা, রপ্তানির তথ্য এবং আমদানিনির্ভর কাঁচামালজনিত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়েছে।
সস, মেয়নেজ বা চিজ দিয়ে তৈরি করা সুস্বাদু খাবারের কিছু অংশ রয়ে গেলে ফ্রিজে রেখে দেন অনেকে। পরদিন গরম করে খেয়ে নেন সে খাবার। এটা কি স্বাস্থ্যকর?
সে একদিন গেছে বটে। বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা। টক-ঝাল-মিষ্টি। আরও কত স্বাদের! আমি আর মসিহউদ্দিন শাকের মিলে সূর্য দীঘল বাড়ীর স্ক্রিপ্ট জমা দিলাম ১৯৭৬ সালে। সরকারি অনুদান পেলাম ১৯৭৭ সালে মাত্র আড়াই লাখ টাকা। নগদ তুললাম ৫০ হাজার। শাকের ইঞ্জিনিয়ারগিরি ছেড়ে দিয়ে তার শ্বশুরের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ৪০ হাজার টাকা আনল। আমি মোল্লা মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে অ্যাকাউন্ট্যান্টের ফুলটাইম চাকরি ছেড়ে পার্টটাইম হলাম; উপরন্তু অফিস থেকে ১৮ হাজার টাকা অগ্রিম তুলে এনে দুজন মিলে আদাজল খেয়ে লেগে পড়লাম।
বিশ্বকাপ চলাকালে কোচের পদ থেকে ছাঁটাই হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল। সেই বিরল অভিজ্ঞতার স্বাদই এবার পেলেন তিউনিসিয়ার কোচ সাব্রি লামুশি।
নানা আকার, রং ও স্বাদের আম এখন গাছের ডালে ডালে ঝুলছে। এতেই ‘শৌখিন চাষি’ রেজাউল করিম খন্দকারের মন ভরে উঠেছে।
জীবনে বহুবার টমেটোভর্তা খেয়েছি। কিন্তু আজও মনে আছে সেই নির্জন দুপুরের কথা। সাধারণ রন্ধনপ্রণালির অসাধারণ স্বাদের কথা।
কোথাও রহস্য, কোথাও প্রেম, আবার কোথাও পারিবারিক হাস্যরস—বিভিন্ন স্বাদের গল্পে হাজির হচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া, জোভান, মুশফিক আর ফারহান, সাফা কবির, মোশাররফ করিম।
স্বল্প বাজেট ও সীমিত পরিসরে নির্মিত সিনেমাগুলো তখন দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পায়। সেই প্রদর্শনীর এক বছর পূর্তিতে এবার সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে সিনেমাগুলো।