
পরকালে শয়তানের দায়মুক্তি আর অনুসারীদের আক্ষেপ
সবচেয়ে নাটকীয় দৃশ্যটি তৈরি হবে যখন শয়তান তার অনুসারীদের ওপরই সব দোষ চাপিয়ে দেবে। বিচারের কাজ শেষ হয়ে গেলে শয়তান এক দীর্ঘ ভাষণ দেবে।

সবচেয়ে নাটকীয় দৃশ্যটি তৈরি হবে যখন শয়তান তার অনুসারীদের ওপরই সব দোষ চাপিয়ে দেবে। বিচারের কাজ শেষ হয়ে গেলে শয়তান এক দীর্ঘ ভাষণ দেবে।

কোরআনের বিধান পরিবর্তন হওয়া মানে এই নয় যে আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্ত পাল্টাচ্ছেন, বরং এটি হলো মানবজাতির ক্রমবিকাশ ও পরিস্থিতির প্রয়োজনে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত।

আমরা মনে করি কেবল নামাজ, রোজা, জাকাত বা হজের মাধ্যমেই এই মুক্তি সম্ভব। কিন্তু নবীজির একটি হাদিস আমাদের সামনে ভিন্ন এক দুয়ার খুলে দেয়।

প্রকৃত নিরাপত্তা কেবল তখনই সম্ভব যখন সমাজে ন্যায়বিচার বা আদল কায়েম থাকে। এর ব্যত্যয় ঘটলে অর্থাৎ জুলুম বা অবিচার ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে।

এই জাতিকে আল্লাহ অল্প শ্রমে অধিক সওয়াব, জুমার নামাজ, নামাজের কাতার ফেরেশতাদের মতো হওয়াসহ এমন কিছু বিশেষত্ব দিয়েছেন, যা আগের জাতিগুলোর না।

অভাবীর কাছে অনেক সময় বাজারের জিনিসের চেয়েও বেশি মূল্যবান হয় সরাসরি ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী। ঘরোয়া নিত্যপণ্য অনেক সময় নগদ টাকার চেয়েও বেশি কাজে দেয়।

৩০ রমজান উমাইয়া খেলাফতের পতনের পর কুফায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম আব্বাসীয় খলিফা হিসেবে আবুল আব্বাস আস-সাফফাহর জন্য আনুগত্যের শপথ নেওয়া হয়।

নবীজি (সা.) খেজুরকে কেবল দস্তরখানের সৌন্দর্য হিসেবে দেখেননি, একে ক্ষুধা নিবারণ ও শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর প্রধান উৎস হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের আমলে ২৯ রমজানে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বার্ষিক হিসাব চূড়ান্ত করার রেওয়াজ ছিল। যাতে ঈদের আগেই দরিদ্রদের প্রাপ্য হক মিটিয়ে দেওয়া যায়।

ইরানি সাহিত্যে রোজাকে তুলনা করা হয়েছে এমন এক প্রদীপের সঙ্গে, যা নফসের অন্ধকার দূর করে এবং এমন এক নদীর সঙ্গে, যা আত্মার সব কলুষতা ধুয়ে দেয়।

সৌদি আরবে ইফতার শুরু হয় সাদামাটাভাবে, যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘ফকুক আল-রিক’ বা রোজা ভাঙার মুহূর্ত। এক গ্লাস পানি, মদিনার আজওয়া খেজুর আর এক কাপ ‘গাহওয়া’।

একটি যুদ্ধের মাধ্যমেই স্পেনে আটশ বছরের মুসলিম শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়, যা ইউরোপকে অন্ধকার যুগ থেকে বের করে আধুনিক বিজ্ঞান ও দর্শনের আলো দেখায়।