তেলসংকটে রাজধানীর কয়েকটি পাম্প বন্ধ
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে।
চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর গত কয়েক দিনে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর মার্চে জ্বালানি সংকটের মুখে পড়লেও এপ্রিল-মে সরবরাহ বেড়েছে। বিপিসি জানায়, দেশে বড় সংকট নেই, আরও ১০টি জাহাজ আসছে। মজুত পরিস্থিতি স্থিতিশীল, তবে দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার জন্য সংস্কার দরকার।
গ্যাসের সরবরাহ কমেছে, কিছুটা লোডশেডিং হতে পারে। আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার অনুরোধ।
ইরান যুদ্ধ পারস্য উপসাগর দিয়ে তেল ও গ্যাসের অধিকাংশ বাণিজ্য বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে হাজার হাজার মাইল দূরের দেশগুলো হঠাৎ করেই জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বেশ সংকটে পড়েছে।
ঢাকার দুই ফিলিং স্টেশনে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপ ও কিউআর কোড দিয়ে মোটরসাইকেলের জ্বালানি সরবরাহ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগ এ ঘোষণা দিয়েছে। ধাপে ধাপে সারা দেশে সব যানবাহনের জন্য এ সেবা ছড়িয়ে পড়বে।
রাজধানীর বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে শনিবার রাত থেকে শত শত মানুষ তেলের জন্য নির্ঘুম অপেক্ষায়। সরবরাহ কমলেও আতঙ্কে লাইন বাড়ছে, চালকরা হাহাকার করছেন। রবিবার সকালেও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কুড়িগ্রাম জেলায় জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক প্রায় ৪ লাখ লিটার। বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ৫০ হাজার লিটার।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে সারা দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে সরকার।
ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেলবাহী জাহাজগুলো হরমজু প্রণালি দিয়ে যেতে পারছে না। এর ফলে প্রতিদিন বৈশ্বিক সরবরাহ প্রায় দুই কোটি ব্যারেল কমে যাচ্ছে।
যেসব দেশের হাতে বিপুল তেলসম্পদ রয়েছে, তাদের অনেকেই দ্রুত সমৃদ্ধ হয়েছে। এ কারণে তেলের উৎস ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরাশক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের।
ইরান যুদ্ধের পর অকটেন সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশে চাহিদার অর্ধেক অকটেন উৎপাদিত হয়, বাকি আমদানি। এপ্রিলে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও প্যানিক বায়িংয়ে লাইন বাড়ছে।