‘অভ্যুত্থান রক্ষার উপযোগী দল’ গড়ে তোলার অঙ্গীকার রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অভ্যুত্থান রক্ষায় সক্ষম রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে অভ্যুত্থান রক্ষায় সক্ষম রাজনৈতিক দল গড়ে তোলার অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়।
বড় আন্দোলনে নামার লক্ষ্য জামায়াতসহ ১১ দলের
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট, কর্মসূচি, সংঘর্ষের খবর এবং পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বৈঠক ও বক্তব্যের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এর আগে বেলা ১১টায় আল ফালাহ মিলনায়তনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শুরু হয়।
শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিমের শেষ ফেসবুক স্ট্যাটাস ‘চলে আসুন ষোলোশহর’ ঘিরে স্মৃতিচারণা এবং কক্সবাজারের পেকুয়ার মেহেরনামার বাড়িতে ক্রেস্ট সাজিয়ে রাখার পাশাপাশি পরিবারের বক্তব্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই ষোলোশহরে কোটাবিরোধী আন্দোলনের সময় ওয়াসিম গুলিতে নিহত হন।
প্রযুক্তির সূত্রে কাছাকাছি চলে আসা নতুন প্রজন্ম ক্রমে নতুন এক দক্ষিণ এশীয় গণতান্ত্রিক অক্ষশক্তি হয়ে ওঠার পথে রয়েছে বলে ইঙ্গিত মিলছে গত চার বছরে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলশানে মো. ইমরানের হত্যা মামলায় ইউটিউবার আর এস ফাহিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার আদালত জামিন শুনানি মঙ্গলবারের জন্য ধার্য করেন। গতকাল মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন ও নিয়ন্ত্রণ করতে ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই রাতে মুঠোফোন ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট আন্দোলন চলাকালে ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার কারণে ছয় সমন্বয়ককে ‘মীর জাফর’ বলে অভিহিত করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাসুদ কামাল। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বেসরকারি এক স্যাটেলাইট টেলিভিশনের এক টক শোতে বলা না বলা শীর্ষক অনুষ্ঠানে এক প্রশ্নে এ মন্তব্য করেন তিনি।
১৬ জুলাইকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতের পর ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের ফেসবুক পোস্টে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান, ‘মব’ প্রসঙ্গ এবং নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে প্রত্যাশার কথা এসেছে।
২০২৪ সালে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা ও ব্যাপক নাগরিক প্রাণহানির প্রতিক্রিয়ায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত কায়দায় রাজপথে নেমে এসেছিল। সাধারণত যেকোনো গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের গল্প ধীরে ধীরে আন্দোলনের নেতৃস্থানীয় ও সাংগঠনিক অংশের তৎপরতার গল্পের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়। কিন্তু জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে পাঠ করতে না পারলে অভ্যুত্থানও অধরা রয়ে যায়।