কার্টার থেকে রিগ্যান, ক্লিনটন থেকে ট্রাম্প—কীভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ধাঁধায় ফেলেছেন ইরানের নেতারা
ইরানের নেতৃত্ব বহু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধাঁধায় ফেলেছে। তবে ট্রাম্পের মতো এতটা বিপাকে সম্ভবত আর কাউকে পড়তে হয়নি।
ইরানের নেতৃত্ব বহু মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধাঁধায় ফেলেছে। তবে ট্রাম্পের মতো এতটা বিপাকে সম্ভবত আর কাউকে পড়তে হয়নি।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সোমবারও একটি চুক্তির প্রতি তাঁর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন
ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে আবারও দাবি করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের আফগান বিপর্যয়ের কয়েক দশক পর ট্রাম্প এখন ঠিক একই ভুল করছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে বিবদমান পক্ষগুলোকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ইউনিসেফ।
গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর বড় ধরনের হামলা আপাতত স্থগিত রেখেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। মূলত ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চাপের কারণে নিজের দেশেই তিনি ও তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক জরিপগুলো বলছে, প্রায় ৭০ শতাংশ মার্কিন নাগরিকই এ যুদ্ধের বিপক্ষে।
যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি সৌদি আরবের নিজস্ব যুদ্ধবিমানগুলো পূর্ব ইরাকে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে।
জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন গ্যাস ট্যাংকারে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, যাতে দুটি জাহাজে আগুন ধরে যায়।
ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের দাবি, ইয়েমেনে রিয়াদের বিমান হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা সৌদি আরবের এই ‘সংবেদনশীল’ তেল অবকাঠামোয় আঘাত হেনেছে।
ট্রাম্প উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজেই ঘোষণা করেন, তিনি তুরস্ক ছাড়ার জন্য তাঁর পুরোনো উড়োজাহাজ ব্যবহার করবেন।
হোদেইদাহ বন্দর দিয়েই হুতি-নিয়ন্ত্রিত উত্তর ইয়েমেনে বেশির ভাগ পণ্য প্রবেশ করে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির ‘দক্ষিণঘেঁষা অনিরাপদ অংশ’ দিয়ে ট্যাংকার দুটি যাওয়ার চেষ্টা করেছিল।